শিরোনাম
বৃহঃ. জানু ২২, ২০২৬

অক্সফোর্ড টিকার অনুমোদন দিলো যুক্তরাজ্য

যুক্তরাজ্যে ডিসেম্বরে ফাইজার ভ্যাকসিন অনুমোদন পাওয়ার পর দ্বিতীয় ভ্যাকসিন হিসেবে অনুমোদিত হলো অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ছয় লাখেরও বেশি মানুষকে ফাইজারের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। তবে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনটি টিকাদান কর্মসূচিতে একটি মাইলফলক তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। কেননা এটি অপেক্ষাকৃত সস্তা এবং এর ব্যবহারবিধি ব্যাপকভিত্তিক টিকাদান কর্মসূচির জন্য তুলনামূলক সহজ।

ব্রিটিশ ওষুধ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ ভ্যাকসিনটি অনুমোদনের মানে হচ্ছে, এটি নিরাপদ ও কার্যকর। তবে অক্সফোর্ড টিকা অনুমোদন পাওয়ার আলাদা তাৎপর্য রয়েছে। ফাইজার-বায়োএনটেকের ভ্যাকসিন যেমন ৭০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, এটিতে তা নেই। সাধারণ ফ্রিজেই এটি সংরক্ষণ করা সম্ভব।

এরইমধ্যে অ্যাস্ট্রাজেনেকার কাছ থেকে ১০০ মিলিয়ন ডোজ ভ্যকাসিন অর্ডার করেছে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ। অর্থাৎ ৫০ মিলিয়ন মানুষকে দুই ডোজ করে এ টিকা দেওয়া যাবে। এটি ব্রিটিশ সরকারের ভ্যাকসিন কর্মসূচিকে গতিশীল করে তুলবে।

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিনটি ২০২০ সালের গোড়ার দিকে ডিজাইন করা হয়েছিল। এপ্রিলে প্রথম এটি স্বেচ্ছাসেবীদের ওপর পরীক্ষা করা হয়। পরে হাজার হাজার মানুষের ওপর ব্যাপক আকারের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালানো হয়।

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে এ মাসেই ফাইজার টিকার অনুমোদন দেয় যুক্তরাজ্য। এরপর ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশ এই ধারাবাহিকতা অনুসরণ করে ভ্যাকসিনটির অনুমোদন দেয়।

অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পাসকেল সোরিয়ট বলেছেন, আমরা মনে করি ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা বাড়ানোর উইনিং ফর্মুলা আমরা পেয়ে গেছি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিয়ন্ত্রকদের বেঁধে দেওয়া মান বজায় রাখতে পেরেছি আমরা।

অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের বৈশ্বিক প্রভাব অনেক বেশি হবে বলেও মনে করেন তিনি।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *