যেকোনো অবস্থায় যেকোনো বিষয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন কাজ। আর তা যদি হয় প্রযুক্তি নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা তাহলে এটি আরও কঠিন। বলা চলে অনেকাংশেই ঝুকিপূর্ণ! কারণ, এই শিল্পে উত্তরোত্তর সব অভাবনীয় পরির্বতন ঘটছে, তাও মুহূর্তের মধ্যেই!
সম্প্রতি আই ট্রিপল-ই কম্পিউটার সোসাইটির ৯ জন টেকনিক্যাল লিডার ‘আই ট্রিপল-ই সিএস ২০২০’ নামের একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে। যেখানে আগামীর দিনগুলোতে অর্থাত্ ২০২২ সালের মধ্যে কম্পিউটার শিল্প খাতকে পরিবর্তন করতে পারে এমন ২৩টি সম্ভাবনাময় প্রযুক্তিকে তুলে ধরা হয়েছে।
এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু পরিবর্তন তুলে ধরা হল
দুনিয়াজোড়া উচ্চশিক্ষায় ব্যাপক পরিবর্তন ঘটবে। অর্থাত্ প্রথাগত ইউনিভার্সিটির ধারণা থেকে বের হয়ে আসবে শিক্ষাঙ্গন। অনলাইনে উচ্চশিক্ষার বিস্তার ঘটবে। শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের ভূমিকারও পরিবর্তন দেখা যাবে।
হাসপাতালে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি স্বয়ংক্রিয় সরবরাহের ক্ষেত্রে মেডিকেল রোবটিক্স নতুন অধ্যায়ের শুরু করবে। এছাড়া মেডিকেল রোবটিক্সের হাত ধরে জীবন-রক্ষাকারী অনেক উদ্ভাবনও সামনে আসবে।
আগামীর দিনগুলোতে প্রযুক্তি দুনিয়ায় কোয়ান্টাম কম্পিউটিং তার জায়গা করে নেবে, এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়। প্রথাগত প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড থেকে বের হয়ে থ্রিডি আইসি তৈরির দিকে ধাবিত হবে স্মার্টফোন দুনিয়া যা ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। স্মার্টফোন, ক্যামেরা, গেমস, অটোমোবাইল, ক্লাউড-সার্ভার, সুপারকম্পিউটার ছাড়াও পরিধানযোগ্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে মিলবে মাল্টিকোর সিস্টেম। সার্চ রেজাল্টের তালিকা, কোনও পণ্য ব্যবহারের পরামর্শ কিংবা আরও ভালো পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে মেশিন লার্নিং অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্ট সিস্টেমের গুরুত্ব বাড়বে। এছাড়া প্রতিবেদনটিতে আগামী দিনগুলোতে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন আসবে যা মানুষের জীবনে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসবে। যেমন-
১.ডিভাইস অ্যান্ড ন্যানোটেকনোলজি
২. ফটোনিক্স
৩. নেটওয়ার্কিং অ্যান্ড ইন্টারকানেক্টিভিটি
৪. সফটওয়্যার-ডিফাইন্ড নেটওয়ার্ক
৫. হাই পারফরমেন্স কম্পিউটিং
৬. ক্লাউড কম্পিউটিং
৭. ন্যাচারাল ইউজার ইন্টারফেস
৮. কম্পিউটার ভিশন অ্যান্ড প্যাটার্ন রিকগনিশন
৯. লাইফ সায়েন্স

