শিরোনাম
বুধ. ফেব্রু ১১, ২০২৬

আজ মমতার দলীয় বৈঠক ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়ে

হাইলাইটস
একুশে জুলাই নিয়ে দলের সঙ্গে আজ, শুক্রবার ভিডিয়ো-বৈঠক করবেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আজকের বৈঠকে দলের সাংসদ ও বিধায়ক এবং সাংগঠনিক পদাধিকারীদের থাকার কথা।
করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বার ২১ জুলাই ধর্মতলায় জমায়েত না-হলেও দলকে শহিদদের তথা ওই দিনটি স্মরণের জন্য নির্দিষ্ট কর্মসূচির কথা বলতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।

কলকাতা: একুশে জুলাই নিয়ে দলের সঙ্গে আজ শুক্রবার ভিডিয়ো-বৈঠক করবেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজকের বৈঠকে দলের সাংসদ ও বিধায়ক এবং সাংগঠনিক পদাধিকারীদের থাকার কথা।

করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বার ২১ জুলাই ধর্মতলায় জমায়েত না-হলেও দলকে শহিদদের তথা ওই দিনটি স্মরণের জন্য নির্দিষ্ট কর্মসূচির কথা বলতে পারেন তৃণমূল নেত্রী। যার রূপরেখা ১৮ দিন আগের এই বৈঠক থেকেই জানানো হতে পারে বলে তৃণমূল সূত্রের খবর।

প্রতি বছর শহিদ সমাবেশের প্রস্তুতিকে কেন্দ্র করে জুনের মাঝামাঝি সময়েই প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায় তৃণমূলের সর্বস্তরে। কিন্তু এ বার করোনা ও লকডাউনের কারণে পরিস্থতি যেহেতু একেবারেই আলাদা, তাই গোটা রাজ্যের তৃণমূল কর্মীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন দলনেত্রীর বিকল্প-ভাবনা জানার জন্য।

করোনার সংক্রমণ ও তার ঝুঁকি হঠাৎ যাওয়ার নয়। সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই ‘নিউ নর্মাল’ পরিস্থতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। বদলে যাচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলোর নিত্য কর্মপদ্ধতিও। এখন সংক্রমণ যে হারে বাড়ছে, তাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও বিভিন্ন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বাধ্যবাধ্যকতা যে আরও কয়েক মাস থাকবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর বড় একটা সংশয় নেই। সুতরাং, এই পরিস্থতিতে শুধু ২১ জুলাইয়ের অন্য রকম কর্মসূচি নয়, আগামী কয়েক মাস দলের অন্য স্বাভাবিক কর্মসূচিগুলোই বা কী ভাবে চলবে, তা নিয়ে আজ মমতা দিশা দিতে পারেন বলে দলীয় নেতৃত্বের একাংশের ধারণা।

বহু নেতারই অভিমত, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক কর্মসূচির ক্ষেত্রে সামাজিক মাধ্যম কিছুটা সুরাহা করে দিচ্ছে বটে, কিন্তু রাস্তায় নেমে জনসংযোগ আর ডিজিটাল বা ভার্চুয়াল কর্মকাণ্ড কখনও এক হতে পারে না। এটা নিয়েও দলের শীর্ষনেত্রীর কোনও বিকল্প ভাবনা আছে কি না, তা-ও আজকের বৈঠক থেকে জানা যেতে পারে।

আজ দলের সঙ্গে নেত্রী মমতার বৈঠকের আলোচ্য মূলত একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি হলেও এই মুহূর্তে দলের কাছে দেশের ও রাজ্যের সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক পরিস্থতির ব্যাখ্যা ও সেই প্রেক্ষিতে তৃণমূলের করণীয় জানাতে পারেন নেত্রী। অতিমারী ও উম্পুন-পরবর্তী পরিস্থতির মোকাবিলায় দলের ভূমিকা তাঁর চোখে ঠিক কেমন, তার একটা আভাস এই বৈঠকে নেতারা পেতে পারেন বলেও অনেকে অনুমান করছেন। রাজ্য সরকার একক উদ্যোগে যে বিপুল ত্রাণের ব্যবস্থা করেছে, তা স্বচ্ছ ভাবে বণ্টনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী তাঁর প্রশাসনকে কঠোর হতে নির্দেশ দিয়েছেন। তার পরেও জেলায় জেলায় শাসক দলের স্থানীয় নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলছেই। এই অবস্থায় দলীয় অন্তর্তদন্তের চূড়ান্ত ফলের উপর ভিত্তি করে নেত্রী কিছু সাংগঠনিক রদবদলের বার্তা দেন কি না তা নিয়েও কৌতূহল তৈরি হয়েছে এই বৈঠকের আগে। সংবাদ সূত্র: এই সময়

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *