পঙ্কজকুমার দেব, হাফলং: অসমের পার্বত্য ডিমা হাসাও জেলায় ইস্ট ওয়েস্ট করিডোর এনএইচ-২৭ মহাসড়ক আশীর্বাদের বদলে অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহাসড়ক নির্মাণের পর দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে পথ দুর্ঘটনা। বিশেষ করে মাইবাং এবং মান্দারদিসার মাঝখানে গত কয়েক বছরে বেশ কিছু বড় ধরনের দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
আজ থেকে দুই তিন বছর আগে লামডিং থেকে লাংটিং অভিমুখে আসার পথে মান্দারদিসার কাছে ইকো ভ্যান দুর্ঘটনায় পড়ে লাংটিঙের পাঁচ থেকে ছয় ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও প্রায়ই পথ দুর্ঘটনা হচ্ছে। গত কয়েকদিনে মাইবাং এবং লাংটিং থানার অধীনে পর পর চারটি দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়। এতে তিন জনের প্রাণহানি ঘটে এবং একাধিক ব্যক্তি গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন।
প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে মাইবাং মহাসড়কের টানেলের ঠিক সম্মুখে। মাইবাং থেকে স্কুটি নিয়ে মাহুর অভিমুখে যাওয়ার পথে সেখানে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে স্কুটি আরোহীরা। এতে এক যুবক ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। জানা গেছে দুই যুবক মাইবাং থেকে নতুন স্কুটি ক্রয় করে বাড়ি ফেরার পথেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা ড্রেনে পড়ে । এদিন অর্থাৎ রবিবার লাংটিং থানার অন্তর্গত বড় লালবং গ্রামের কাছে অটোরিকশা এবং মোটর বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক সহ বেশ ক’জন যাত্রী আহত হয়।
এদের মধ্যে অটোরিকশার জনৈক যাত্রী হাফলং অসামরিক চিকিৎসালয়ে মৃত্যু হয়। অনুরূপ ভাবে মঙ্গলবার লাংটিং থানার অন্তর্গত হাতিখালিতে মটর বাইক দুর্ঘটনায় জনৈক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই বাইক চালক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গেই মৃত্যু হয়। জনৈক চালক দুর্ঘটনার জন্য নাহাই কর্তৃপক্ষকে দায়ী করে বলেন যে মান্দারদিসা থেকে মাহুরের মধ্যে মহাসড়কের বেশ কিছু স্থানে ডাইভার্সন সাইনেজ সঠিক ভাবে নাথাকায় গাড়ি চালকদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এমনকি একাধিক দুর্ঘটনা উপরোক্ত সাইনেজ সমস্যার জন্য ঘটছে। তাই এক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

