শিরোনাম
শুক্র. জানু ৩০, ২০২৬

আসাম বঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলনের অনুষ্ঠানে বিধায়ক দীপায়ন চক্রবর্তীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করল বিডিএফ

আসাম নিউজ ডেস্ক: গতকাল অসমের শিলচরে অনুষ্ঠিত বঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলনের দ্বিবার্ষিক অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিলচরের বিধায়ক দীপায়ন চক্রবর্তীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করল বিডিএফ। বিধায়ক দীপায়ন চক্রবর্তী তাঁর ভাষণে এদিন বলেন যে, অন্য ভাষায় কালি লাগিয়ে কখনো ভাষার উন্নতি হয়না। প্রত্যেক ভাষাকে সম্মান ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি সমৃদ্ধ হতে পারে।

বিধায়কের এই বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ সহমত পোষণ করে বিডিএফ এর মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক হৃষীকেশ দে বলেন – আমরাও সব জাতি জনগোষ্ঠীর ভাষা সংস্কৃতিকে সম্মান করি ও পারস্পরিক আদান প্রদানেই বিশ্বাসী। কালি লাগানো সমর্থনযোগ্য নয় এবং হয়তো তাৎক্ষণিক আবেগের বশে এটা ঘটেছে। তিনি বলেন যে তার সাথে এটাও আমি মনে করিয়ে দিতে চাই যে যারাই কালি লাগান তার ফলেই কিন্তু সরকার বিতর্কিত হোর্ডিংটি বাংলায় বদলাতে বাধ্য হয়েছেন, ১৯৬১ এর ভাষা আইনকে সম্মান জানাতে বাধ্য হয়েছেন।

তেমনি এরপরও বিডিএফ এর মুখ্য আহ্বায়ক প্রদীপ দত্তরায়ের হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে আরেকটি হোর্ডিংও বদল হয়েছে।‌ যাইহোক এরজন্য আমরা সরকার বাহাদুরকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। হৃষীকেশ দে বলেন যে দীপায়ন বাবু তো অনেক দিন ধরে ভাষা শহীদ স্মরণ সমিতির অন্যতম কর্মকর্তা। বিধায়কের ভূমিকায়ও রয়েছেন একবছর ধরে। কিন্তু এখানকার অনেক দিনের দাবি শিলচর রেলস্টেশনের ‘ভাষা শহীদ স্টেশন’ নামকরণ এখনো কেন হলনা? যেখানে খোদ কেন্দ্রীয় সরকারের এ ব্যাপারে আপত্তি নেই সেখানে তিনি শাসকদলের বিধায়ক হওয়া সত্ত্বেও তদ্বির করে এই সামান্য ব্যাপারটা এতদিনে কেন করে উঠতে পারলেন না? এটা জানতে আমরা খুব আগ্রহী।‌

একই সাথে আগামী দিনে তিনি এই ব্যাপারে কতটা ফলপ্রসূ ভূমিকা নেবেন সেটাও স্পষ্ট করুন। তিনি বলেন আশাকরি বিধায়ক এর উত্তর দেবেন। হৃষীকেশ বাবু বলেন যে তিনি শেষে একটা কথাই বলতে চান ‘ফলেন পরিচিয়তে ‘। বিডিয়া মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে এক প্রেস বার্তায় এই খবর জানিয়েছেন আহ্বায়ক জয়দীপ ভট্টাচার্য।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *