শিরোনাম
শুক্র. ফেব্রু ২০, ২০২৬

একই ছবিতে ফেলুদা-কাকাবাবু-ব্যোমকেশ? মাল্টি ইউনিভার্স ছবির পরিকল্পনা সৃজিতের!

রাহুল মজুমদার: ইতিমধ্যেই সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ‘ফেলুদা’ সিরিজ হইচই করে চলেছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। বড়পর্দায় তাঁর নির্দেশনায় এই তিন নম্বর বার হাজির হতে চলেছেন ‘কাকাবাবু’। এবার পালা ‘ব্যোমকেশ বক্সী’র।

ইতিমধ্যেই তাঁর পরিচালনায় ‘ফেলুদা’ সিরিজ হইচই করে চলেছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। বড়পর্দায় তাঁর নির্দেশনায় এই তিন নম্বর বার হাজির হতে চলেছেন ‘কাকাবাবু’। এবার পালা ‘ব্যোমকেশ বক্সী’র। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত জনপ্রিয় ব্যোমকেশ উপন্যাস ‘দুর্গ রহস্য’ নিয়ে ছবি তৈরি করতে চলেছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। সম্প্রতি, এক সাক্ষাৎকারে সৃজিত মুখোপাধ্যায় জানালেন যে বাংলা সাহিত্যের এই দারুণ জনপ্রিয় তিন ব্যক্তিত্বকে হলিউডের মতো মাল্টি ইউনিভার্সে দেখানোর কথা ভাবছেন তিনি!

ই টাইমস-কে দেওয়া এক সাক্ষাতকরে কোনও রাখঢাক না করে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই পরিচালক জানিয়েছেন অনেকদিন আগে থেই তাঁর এই চিন্তা ভাবনা রয়েছে। রেডি রয়েছে গল্পের প্লট-ও। তবে একইসঙ্গে তাঁর আশঙ্কা ফেলুদা-কাকাবাবু-ব্যোমকেশদের একই ছবিতে দেখাতে হলে অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হবে। এনওসি চলে আসতে পারে আবার। তবে ভক্ত হিসেবে কোনও বাধা নেই।

সৃজিতের কথায়, ‘গোয়েন্দা উপন্যাসকে ভেঙে সাজাতে হবে হ্যাঁ, মাল্টি ইউনিভার্সে ফেলুদা-ব্যোমকেশ-কাকাবাবুর মতো তিন গোয়েন্দাকে দেখানো দারুণ একটা চ্যালেঞ্জ হবে বটে! আর সেটা তো আমি নিতেই চাই। সেখানে ব্যোমকেশকে একটু বৃদ্ধ ভেবেছি এবং ফেলুদা-কাকাবাবুকে খানিক তরুণ আর মাঝবয়সী হতে হবে। যেখানে তিনজনের টাইম পিরিয়ডটা ওভারল্যাপ করছে। সময়ের প্রেক্ষাপটটা আসলে মেলানোই চ্যালেঞ্জিং! ব্যোমকেশ ১৯৩০-৬০ সাল অবধি, কাকাবাবু-ফেলুদা আরেকটু সমসাময়িক। তবে বাংলা সাহিত্যে তিন গোয়েন্দার যে ওভারল্যাপিং টাইম পিরিয়ড রয়েছে, সেটা ঐতিহাসিকভাবে খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

প্রসঙ্গত, সৃজিত মুখোপাধ্যায় ‘ব্যোমকেশ বক্সী’-র ছবিটির প্রযোজনা করছেন শ্যামসুন্দর দে।জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই পরিচালক জানিয়েছেন ব্যোমকেশকে নিয়ে ছবি তৈরির কোনও পরিকল্পনাই তাঁর কোনওদিন ছিল না। তাই এই নির্মাতা সংস্থা যখন তাঁকে ‘দুর্গ রহস্য’র প্রস্তাব দিল, তখন বেশ খানিকটা সময় চেয়ে নিয়েছিলেন তিনি। সৃজিত জানিয়েছেন, বরাবর তাঁর আগ্রহ কাজ করে এসেছে ‘পিরিয়ড ফিল্ম’ তৈরির ব্যাপারে।তাঁর মতে ‘দুর্গ রহস্য’ এই জঁরের ছবি। তাই তিনি নিশ্চিত পর্দায় এই ব্যোমকেশ উপন্যাসকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন। পরিচালকের কথাতেই আরও জানা গেল, প্রাথমিক পর্যায়ের সমস্ত কথাবার্তা ইতিমধ্যেই শেষ। করোনা আবহ কেটে গেলেই যত দ্রুত সম্ভব এই ছবির শ্যুটিং শুরু হবে।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *