শিরোনাম
শনি. জানু ৩১, ২০২৬

একদিনে মৃত্যু ৩৫, শনাক্ত ২৫৪৮

করোনায় দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে রোগী শনাক্ত হয়েছে ২৫৪৮ জন। শুক্রবার করোনা সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজার ৩৬১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং পরীক্ষা করা হয় ১২ হাজার ২৭টি নমুনা। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ১০ লাখ ৯১ হাজার ৩৪টি। নতুন পরীক্ষা করা নমুনায় করোনা ধরা পড়েছে দুই হাজার ৫৪৮ জনের। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ ১৮ হাজার ৬৫৮ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে আরও ৩৫ জনের। এতে ভাইরাসটিতে মোট মারা গেলেন দুই হাজার ৮৩৬ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও এক হাজার ৭৬৮ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ২০ হাজার ৯৭৮ জনে।

মৃতদের মধ্যে পুরুষ ২৮ জন এবং নারী ৭ জন। এদের মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব একজন, চল্লিশোর্ধ্ব ৪ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৮ জন, ষাটোর্ধ্ব ১৩ জন, সত্তরোর্ধ্ব ৪ জন, ৮০ বছরের বেশি বয়সী ৩ জন, ৯০ বছরের বেশি বয়সী একজন এবং শতবর্ষী একজন ছিলেন।

তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ছিলেন ১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৬ জন, খুলনা বিভাগের ৬ জন, সিলেট বিভাগের ৪ জন, রংপুর বিভাগের ৪ জন, বরিশাল বিভাগের ৩ জন এবং রাজশাহী বিভাগের ছিলেন একজন।

২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ২১ দশমিক ১৯ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ২০ দশমিক ০৪ শতাংশ। আর রোগী শনাক্ত তুলনায় সুস্থতার হার ৫৫ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩০ শতাংশ।

বরাবরের মতোই বুলেটিনে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়।

উল্লেখ্য, চীনের উহান থেকে করোনা গত ছয় মাসে বিশ্বের ২১৩ টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে । চীনে করোনার প্রভাব কমলেও বিশ্বের অন্য কয়েকটি দেশে মহামারি রূপ নিয়েছে। দেশে করোনা সংক্রমিত প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

করোনায় মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *