হাবিবুর রহমান, ঢাকা: করোনাভাইরাসের অতি সংক্রামক ওমিক্রনের ত্রাস দেখছে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যেই ভয়ংকর ডেল্টার সময়ে একদিনে শনাক্তের হারকে পেছনে ফেলেছে ওমিক্রন। ঘরে ঘরে মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তাদের কেউ পরীক্ষা করাচ্ছেন আর কেউ করাচ্ছেন না। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা।করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১৭ জন ও নারী ১৯ জন। এ নিয়ে মহামারি শুরুর পর থেকে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৮ হাজার ৪৬১ জন। একই সময়ে নতুন করে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ১৯৩ জন। এ নিয়ে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ২৪ হাজার ১৮০ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে, এর আগের মঙ্গলবার দেশে করোনায় ৩১ জনের মৃত্যু ও নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছিল ১৩ হাজার ১৫৪ জন। ওইদিন শনাক্তের হার ছিল ২৯ দশমিক ১৭ শতাংশ।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের ৮৬৭টি ল্যাবরেটরিতে ৪৪ হাজার ৩০৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং ৪৪ হাজার ৪৫১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে দেশে মোট ১ কোটি ২৫ লাখ ৬৮ হাজার ২২৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৫১ শতাংশ।
গতকাল একদিনে করোনা থেকে সেরে উঠেছেন চার হাজার ২০৩ জন। এ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৭৫ হাজার ১৩৭ জন।
বিভাগওয়ারি হিসাবে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১৩ জন, রাজশাহী বিভাগের ছয়জন, চট্টগ্রামে পাঁচজন, বরিশালে তিনজন। এছাড়া ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে একজন করে মারা গেছেন। তবে রংপুর ও খুলনা বিভাগে এসময়ে কেউ মারা যাননি। বয়স অনুযায়ী মৃতদের মধ্যে শূন্য থেকে ১০ বছর বয়সী একজন, ত্রিশোর্ধ্ব দুজন, চল্লিশোর্ধ্ব চারজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব সাতজন, ষাটোর্ধ্ব ৯ জন, সত্তরোর্ধ্ব ৯ জন, আশি বছরের বেশি বয়সী চারজন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে ৬ লাখ দুই হাজার ৭৩৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ৯ হাজার ২৫৫ জনের মাঝে নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ শনাক্ত হয়। কিন্তু জানুয়ারি মাসে দেশে ৯ লাখ ৮৭ হাজার ১৯৪টি নমুনা পরীক্ষা করে দুই লাখ ১৩ হাজার ২৯৪ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। অর্থাৎ জানুয়ারি মাসের ৩১ দিন প্রতি ঘণ্টায় এক হাজার ৩২৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৮৭ জনের মাঝে নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। অথচ ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে দেশে প্রতি ঘণ্টায় ৮১০টি নমুনা পরীক্ষা করে ১২ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। অর্থাৎ দেশে ডিসেম্বর মাসের তুলনা জানুয়ারি মাসে প্রতি ঘণ্টায় ২৪ গুণ বেশি সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। ডিসেম্বর মাসে ঘণ্টাপ্রতি সংক্রমণ শনাক্তের হার ১.৫৪ শতাংশ হলেও জানুয়ারিতে তা দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৬১ শতাংশ।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের কারণেই মূলত সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। বিশ্বব্যাপী ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট যেভাবে সংক্রমণ বাড়িয়েছে, একই ধরনের প্রবণতা বাংলাদেশেও দেখা যাচ্ছে। কারণ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঘোষণাই বলছে, দেশে এই ভ্যারিয়েন্টের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন এরই মধ্যে ঘটে গেছে। এ বছর করোনাভাইরাসের যেসব নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, তার সিংহভাগেও মিলেছে এই ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি। ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজন করোনায় শনাক্ত হওয়ার কথা জানায় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।
এর ঠিক ১০ দিন পর করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর কথাও জানায় প্রতিষ্ঠানটি। এরপর প্রায় দুই বছর ধরে চলা এ মহামারির সংক্রমণ চিত্রে বিভিন্ন সময়ে ওঠানামার চিত্র দেখেছে দেশ। তবে সবচেয়ে বেশি খারাপ অবস্থা দেখা গেছে বছরের জুন, জুলাই ও আগস্ট মাসে। করোনার ধরন ডেল্টার তাণ্ডবে সেসময়ে দেশ একদিনে সর্বোচ্চ রোগী আর সর্বোচ্চ মৃত্যু দেখেছে। তবে আগস্টের শেষ দিকে এসে সংক্রমণ কমতে শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। শনাক্তের হার কমে আসে ১ শতাংশের কাছাকাছি। তবে বছর শেষে নতুন ত্রাসের জš§ দেয় করোনার অতিসংক্রমণশীল ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। ডেল্টার তুলনায় পাঁচ থেকে ছয়গুণ বেশি সংক্রমণ ক্ষমতা নিয়ে ওমিক্রন ছড়াতে থাকে বাতাসের গতিতে।
প্রথম ওমিক্রন শনাক্ত: গত ১১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের দুই জন সদস্য করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনে শনাক্ত হয়েছেন বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এই ক্রিকেট দলের সদস্যরা জিম্বাবুয়ে সফর শেষে দেশে ফেরেন। তাদেরকে আইসোলেশনে রাখা হয়। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে ওমিক্রনের প্রভাব বাড়তে থাকে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম জানিয়েছেন, দেশে এখনও ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রাধান্য বেশি থাকলেও একটু একটু করে জায়গাটা ওমিক্রন দখল করে নিচ্ছে। দেশে ওমিক্রনের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন তথা সামাজিক সংক্রমণ হয়েছে বলেও জানান তিনি। ফলে ওমিক্রনের প্রভাবে দেশের আগের সব রেকর্ড ভেঙে যাবে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। ইতিমধ্যে তাদের সে কথাকেই সত্যি করে ডেল্টার সর্বোচ্চ রোগী শনাক্তের রেকর্ড ভেঙেছে ওমিক্রন।
মাসজুড়ে ছড়ালো ওমিক্রন: শুরু দিকে যারা ওমিক্রনে আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়, তাদের সবাই ছিল রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা। এরপরে যশোর ও চট্টগ্রামেও ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়। মূলত এরপর থেকেই পুরো দেশজুড়ে রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। দেশে করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের দাপটে গত বছর জুলাই-আগস্টের দিকে দৈনিক শনাক্তের হার ৩০ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। পরে তা কমতে কমতে জুলাই মাসে ২ শতাংশে নামে। যা ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল।
গত ১০ জানুয়ারি রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর বলেছেন, ওমিক্রন যেভাবে ছড়াচ্ছে এবং তার শনাক্তের হার যদি হিসাব করা হয় তাহলে এটা আগামী তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে দেশজুড়ে ছড়িয়ে যাওয়ার কথা এবং সেটারই ‘ফোরকাস্ট’ হচ্ছে গত এক সপ্তাহের কিছু বেশি সময় ধরে।
ওমিক্রনে ভয়ংকর জানুয়ারি: নতুন বছরের প্রথম দিন গত ৩১ ডিসেম্বর’২০২১ ইং তারিখে ২৪ ঘণ্টায় ৩৭০ জন নতুন করোনা রোগী শনাক্তের তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেদিন নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তে হার ছিল দুই দশমিক ৪৩ শতাংশ। একই সময়ে চার জনের মৃত্যুর কথাও জানানো হয়। আর ৩১ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় করোনায় রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৩ হাজার ১৫৪ জন। মারা গেছেন ৩১ জন, শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ১৭ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানাচ্ছে, কেবল জানুয়ারি মাসেই করোনাতে নতুন শনাক্ত হয়েছেন দুই লাখের বেশি মানুষ। অধিদপ্তর বলছে, ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে যেখানে শনাক্ত হয়েছিলেন ২১ হাজার ৬২৯ জন, সেখানে ২০২২ সালের জানুয়ারিতে শনাক্ত হয়েছেন দুই লাখ ১৩ হাজার ২৯৪ জন। আর জানুয়ারির মোট শনাক্ত হওয়া রোগী সংখ্যা গত বছরের ডেল্টার সময়ের জুন মাসকে ছাড়িয়ে গেছে। গত বছরের জুনে ডেল্টা তাণ্ডবে শনাক্ত পৌঁছায় এক লাখ ১২ হাজার ৭১৮ জনে।
এ মাসেই দেশে করোনা মহামারিকালে দৈনিক শনাক্তের হারের নতুন রেকর্ড হয়েছে। গত ২৮ জানুয়ারি ডেল্টার শনাক্তের হারের রেকর্ড পেছনে পরে যায়। সম্প্রতি অধিদপ্তর জানায়, আগের ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ। এর আগে গত বছরে ডেল্টার সময়ে ২৪ জুলাই শনাক্তের সর্বোচ্চ হার ছিল ৩২ দশমিক ৫৫ শতাংশ।
গত ডিসেম্বর মাসের পরিসংখ্যান বিবেচনা করলে দেখা যায়, ছয় লাখ দুই হাজার ৭৩৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে এই মাসে। অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৮১০টি। প্রতি ঘণ্টায় ৮১০টি নমুনা পরীক্ষা করে ১২ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয় এই মাসে। এর মাঝে প্রতি ঘণ্টায় মৃত্যু বরণ করেন শূন্য দশমিক ১২২ শতাংশ।তবে এই সব পরিসংখ্যান পালটে যায় জানুয়ারি মাসের ৩১ দিনে। এই মাসে প্রতি ঘণ্টায় এক হাজার ৩২৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মাঝে প্রতি ঘণ্টায় সংক্রমণ শনাক্ত হয় ২৮৭ নমুনায়। সংক্রমিতদের মাঝে প্রতি ঘণ্টায় মারা যায় শূন্য দশমিক ৪৩২ শতাংশ। অর্থাৎ ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারি মাসে দেশে বেড়েছে কোভিড-১৯ সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা। ডিসেম্বরে সংক্রমণ শনাক্তের হার এক দশমিক ৫৪ শতাংশ হলেও জানুয়ারিতে এটা হয় ২১ দশমিক ৬১ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞদের মতামত: ওমিক্রনের প্রভাবে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি কত দিন থাকবে, সে বিষয়ে অবশ্য এখনই কিছু বলতে পারছেন না বিশেষজ্ঞরা। তবে প্রভাব যাই থাকুক, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের পাশাপাশি আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দিকে সরকারকে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন তারা। বলছেন, সংকটের এই সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিতে পারলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের একেবারেই বাইরে চলে যাবে, যার জন্য ভুগতে হবে দীর্ঘ সময়।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, সংক্রমণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে কি না কিংবা কবে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে-এসব বিষয়ে বলার মতো যথেষ্ট তথ্য এখনো কারও কাছেই নেই। আমাদের দেশেও এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতি আরো কমপক্ষে দুই থেকে তিন সপ্তাহ চলতে পারে। সবাই গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করলে এরপর হয়তো সপ্তাহখানেক স্থিতাবস্থা থাকবে। তারপর সংক্রমণ নিুমুখী হতে পারে।
ওমিক্রনের প্রভাবে সারাবিশ্বেই করোনা সংক্রমণের সব রেকর্ড ভেঙে গেছে জানিয়ে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা ড. মুশতাক হোসেন বলেন, বাংলাদেশেও দুয়েকদিনের মধ্যে হয়তো সংক্রমণের আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।
৫০ হাজার নমুনা পরীক্ষায় সেখানে ১৫ হাজারের বেশি শনাক্ত হচ্ছে, ১ লাখ নমুনা পরীক্ষা হলে তো এই সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। তবে সংক্রমণের সংখ্যায় মনোযোগ না দিয়ে সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দিকে মনোযোগী হতে আহ্বান জানালেন ডা. মুশতাক। তিনি বলেন, যারা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। চিকিৎসা সুবিধা বাড়াতে হবে। পরীক্ষা করার সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। করোনা আক্রান্তদের ফলোআপের আওতায় আনতে হবে। সুনির্দিষ্টভাবে আইসোলেশন সেন্টার করতে হবে। এসব না করতে পারলে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি কোথায় গিয়ে থামবে, বলা মুশকিল।

