জয়দীপ দাস: কোভিডের করাল গ্রাসে আম-আদমির পাশাপাশি প্রাণ হারাচ্ছেন প্রথমসারির কোভিড যোদ্ধারাও। রোজই গোটা দেশ থেকে আসছে একাধিক চিকিৎসক মৃত্যুর খবর। এমনক দুদিন আগেই কোভিডের কারণে প্রাণ হারিয়েছেন আইএমএফ-র প্রাক্তন প্রধান। এদিকে করোনার কারণে সবথেকে বেশি বিপর্যয় নেমে এসেছে বিহারের স্বাস্থ্য মহলে।
পরিসংখ্যান বলছে কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে নীতীশের রাজ্যেই। সংখ্যাটা এখনও পর্যন্ত ৯০। অন্যদিকে গোটা দেশব্যাপী এখনও পর্যন্ত ২৮০ জন চিকিৎসক মারা গিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে ইণ্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন বা আইএমএ। অন্যদিকে চিকিৎসক মৃত্যুর তালিকায় বিহারের পরেই রয়েছে উত্তরপ্রদেশ ও দিল্লি।
তবে বিহারে মৃত চিকিৎসকদের মধ্যে বেশিরভাগই ৫০ উর্ব্ধ বলে জানা যাচ্ছে। তবে এছড়াও বিভিন্ন বয়সের ডাক্তারই কোভিঢের শিকার হয়েছেন বলে জানাচ্ছেন আইএমএ-র সর্বভারতীয় সভাপতি ডঃ শাহজানন্দ প্রসাদ সিং। তবে ডাক্তারদের মধ্যে উচ্চ সংক্রমণের হার প্রসঙ্গে তাঁর মত, “ ডাক্তারা সাধারণ সংক্রমিত রোগীর সংস্পর্শে বেশি এসে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসার কারণে সহজে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মানা সম্ভবপরও হয় না। ফলে সংক্রমণের সম্ভাবনা তীব্রতর হয়।”
যদিও বিহারে চিকিৎসক মৃত্যুর সংখ্যায় বাড়বাড়ন্তের পিছনে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোরল দিকেও আঙুল তুলেছেন তিনি। এমনকী দ্বিতীয় পর্বের সংক্রমণ শুরুর প্রথমার্ধে বিহারে যে সমস্ত ডাক্তার করোনার কবলে পড়েছিলেন তাদরে অনেকের অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যু হয় বলে দাবি তাঁর। তাদের মধ্যে অধিকাংশই পাটনায় কর্মরত ছিলেন বলে জানা যায়। এদিকে গত বছর কোভিডের প্রথম পর্বেরের সংক্রমণে গোটা দেশে সাড়ে সাতশোর কাছাকাছি চিকিৎসকের মৃত্যু হয় বলে খবর।

