এবার গভীর সংকটজনক অবস্থায় রাজ্যের প্রথম সারির করোনা হাসপাতাল। একই সঙ্গে করোনা আক্রান্ত ৩৬ জন চিকিত্সক। চিকিত্সার পরিসেবা ঠিক রাখতে জরুরি ভিত্তিতে অন্য হাসপাতাল থেকে চিকিত্সক দল পাঠানোর আর্জি নিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। নাহলে ভেঙে পড়বে চিকিত্সা পরিষেবা।
এক দিকে মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতাল। তারওপর রাজ্যের প্রথম কোভিড করোনা হাসপাতাল হিসেবে চিহ্নিত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। তাই স্বাভাবিক ভাবে প্রথম থেকেই এই হাসপাতালে রোগীর চাপ ছিল বেশিই। যে চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয়েছে হাসপাতালের ডাক্তার থেকে অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্মীদের। রাজ্যের এই রকম ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতিতে এই রকম ঘটনা ঘটায় গভীর সংকটে পড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, যে ৩৬ জন চিকিত্সক কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন তাঁদের মধ্যে ২৪ জন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং চিকিত্সক এবং এরা সকলেই সরাসরি করোনা চিকিত্সায় যুক্ত। এছাড়া আছেন ১২ জন ফ্যাকাল্টি অর্থাত্ শিক্ষক চিকিত্সক। এক সঙ্গে এই বিপুল পরিমাণ চিকিত্সক কীভাবে পূরণ করা যাবে তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন স্বাস্থ্য ভবনের আধিকারিকেরাও।
স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, এনিয়ে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ মঞ্জু বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠি পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য ভবনে। হাসপাতালের স্বাভাবিক অবস্থা ঠিক রাখতে চিকিত্সক পাঠানোর আর্জি জানানো হয়েছে সেই চিঠিতে।না হলে যে কোন মুহূর্তে ভেঙে পড়বে হাসপাতালের জরুরী চিকিত্সা পরিষেবা। পাশাপাশি, শিক্ষক চিকিত্সক পাঠানোর আর্জিও জানানো হয়েছে। সেই মতো পরিষেবা ঠিক রাখতে আপাতত ঠিক হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতাল, নীলরতন সাহা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, ন্যাশানাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে চিকিত্সকদের কিছুদিনের জন্য ওখানে পাঠানো হবে।

