আলু বহুল প্রচলিত একটি উদ্ভিজ্জ খাদ্য। দেহকে শক্তিশালী করতে বিশেষ করে প্লীহা আর পাকস্থলীর কর্মক্ষমতা বাড়াতে আলু বিশেষ কার্যকর। বৃক্কের কার্যক্ষমতায় ঘাটতির সমস্যায় এই উদ্ভিদ কাজে লাগে। রাতকানা রোগের ক্ষেত্রেও এর উপকারিতা প্রমাণিত।
সে ক্ষেত্রে রোগীকে প্রাণীর, বিশেষ করে খাসির কলিজার সাথে মিষ্টি আলু খাওয়াতে হয়। তাছাড়া ত্বকের কোথাও পুড়ে গেলে কাঁচা আলু থেঁতলে পুড়ে যাওয়া জায়গায় লাগালে আরাম পাওয়া যায়।
সম্প্রতি একটি ব্রিটিশ পত্রিকায় প্রকাশিত নিবন্ধ অনুসারে জানা গেছে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হৃদরোগের আশঙ্কা কমিয়ে দিতে পারে আলু। কিন্তু সে ক্ষেত্রে আপনাকে কয়েকটি নিয়ম অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।
খোসাসহ আলু খাওয়ার পরামর্শ পুষ্টিবিদদের। সেক্ষেত্রে খোসা ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। আলু সিদ্ধ করে নিতে হবে। লবণ ছাড়া খেতে হবে আলু। আলুতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি রয়েছে যা ক্যানসারের মতো রোগ প্রতিরোধ করতে পারে। আলুতে পাবেন ম্যাগনেশিয়াম যা ছোটদের হাড়ের গঠন মজবুত করতে সাহায্য করে। আলু খেলে সেরোটোনিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে, যা আপনার মেজাজ ভাল রাখতে সাহায্য করবে। তবে অতিরিক্ত আলু খেলে তা মোটেই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।

