শিরোনাম
বৃহঃ. জানু ২২, ২০২৬

চীনের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের’ অভিযোগ, জাতিসংঘের প্রতিবেদন

শিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের বিষয়ে বহুল প্রতীক্ষিত রিপোর্ট প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটি তাদের রিপোর্টে চীনের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের’ অভিযোগ এনেছে।

বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় এক বছর ধরে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয় এবং জেনেভায় বুধবার ১১টা ৪৭ মিনিটে তা প্রকাশ করা হয়। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাশেলেতের চার বছর মেয়াদ শেষের ১৩ মিনিট আগে এ রিপোর্ট প্রকাশিত হয়।

বার্তা সংস্থা এএফপিকে পাঠানো এক মেইলে তিনি বলেন, আমি বলেছিলাম— আমার ম্যান্ডেট শেষ হওয়ার আগে আমি এটি প্রকাশ করব।

চীন জাতিসংঘকে এ রিপোর্ট প্রকাশ না করতে আহ্বান করেছিল। বেইজিং এটিকে পশ্চিমা শক্তির ‘প্রহসন’ বলে উল্লেখ করে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উইঘুর মুসলিম ও অন্যান্য জাতিগত সংখ্যালঘুর বিরুদ্ধে অপব্যবহারের দাবির মূল্যায়ন করা হয়েছে। তবে চীন এসব দাবি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।

তবে তদন্তকারীরা বলেছেন, তারা নির্যাতনের ‘বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ’ উন্মোচন করেছেন, যা সম্ভবত ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’। তদন্তকারীরা সংখ্যালঘুদের অধিকারকে দমন করার জন্য অস্পষ্ট জাতীয় নিরাপত্তা আইন ব্যবহার করে এবং স্বেচ্ছাচারী আটকের ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার জন্য চীনকে অভিযুক্ত করেছে।

প্রতিবেদনটি জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার কার্যালয় থেকে অনুমোদিত করা হয়। বলা হয়েছে, বন্দিদের সঙ্গে অপরাধমূলক কাজ করা হয়েছে, যার মধ্যে যৌন এবং লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার ঘটনা রয়েছে।

এর আগে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিভিন্ন বন্দিশিবিরে ১০ লাখের বেশি উইঘুর মুসলিমকে বন্দি করে রেখেছে চীন।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *