২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য সংস্কৃতি খাতে ৫ শত ৭৯ কোটি ২৬ লাখ টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। গতবার এই খাতে যা ছিল ৫ শত ৭৫ কোটি টাকা। বরাবরের মতোই জাতীয় বাজেটে সংস্কৃতি খাতকে অবহেলা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য মোট ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এবারের বাজেটের শিরোনাম ‘অর্থনৈতিক উত্তরণ ও ভবিষ্যৎ পথ পরিক্রমা’।
জাতীয় বাজেট ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মামুনুর রশীদ বলেন, ‘সরকারের দায়িত্বশীল লোকেরা বিভিন্ন সভা-সেমিনারে সংস্কৃতিকে এগিয়ে নেয়ার কথা বলেন। কিন্তু জাতীয় বাজেটে প্রতিবারই আমরা দেখি সংস্কৃতি খাতকে অবহেলা চিত্র। মানবিক মূল্যবোধের সমাজ নির্মাণ করতে হলে সংস্কৃতি খাতকে গুরুত্ব দিতে হবে। এই খাতে বাজেটও বাড়াতে হবে। কিন্তু সরকারের নীতি-নির্ধারণী মহল যেন সেটা বুঝেও না বোঝার ভান করে থাকেন।’
নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার বলেন, ‘সংস্কৃতি খাত প্রতিবারই অবহেলার শিকার হয়। তবে এবারের চিত্রটা ভিন্ন। আমি মনে করি, স্বাস্থ্য এবং কৃষি বিভাগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত এবারের বাজেটে।’
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ বলেন, ‘এবার যেহেতু বিশেষ পরিস্থিতি, তাই এবারের প্রেক্ষাপটটি একেবারেই অন্যরকম। তবে আমাদের দাবি ছিল সংস্কৃতি খাতের বাজেট জাতীয় বাজেটের ১ শতাংশ হোক। সেই দাবিটি এখনো আছে। তবে এবারের পরিস্থিতি বিবেচনায় শুধু এটুকু বলতে হয় সংস্কৃতি খাতের বাজেট আরেকটু বাড়ানো যেত। এটি এ কারণেই বলছি যে, করোনা মহামারীর পরিস্থিতিতে আইনশৃংখলা বাহিনী পাশাপাশি অনেকেই কাজ করছেন। সেই দিক থেকে পরিস্থিতি একটু ভালো হলে সারা দেশের সংস্কৃতিকর্মীদের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বোধ জাগিয়ে তোলা, মানবিকতাবোধ জাগিয়ে তোলোর জন্য কাজ করা যেত।’ দেশ রুপান্তর

