ভর্তা ভাজি দিয়ে ভাত খাবার মজাই আলাদা। ভর্তা ভাজির কথা শুনেই জিভে চলে আসে জল। তাছাড়া ভর্তা ভাজি আমাদের মুখের রুচি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। তাই আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো এই রকম মজাদার ২৫ টি ভর্তা ভাজির রেসিপি।
মজাদার শিম আলু ভর্তা রেসিপিঃ
যা যা লাগবে
১. শিম অল্প পরিমাণে
২. আলু শিমের তুলনায় বেশি পরিমাণে হবে
৩. পেয়াজ
৪. মরিচ
৫. সরিষার তেল
৬. ধনে পাতা
৭. লবণ
প্রস্তুত প্রণালী: প্রথমে শিম ও আলু শিদ্ধ করে নিতে হবে। এরপর পেয়াজ কুচি,ধনেপাতা কুচি, কাঁচামরিচ কুচি লবণ ও সরিষার তেল দিয়ে শিম ও আলু ভালোমতো চটকে ভর্তা করে নিতে হবে। তাহলেই মজাদার শিম-আলু ভর্তা তৈরি!
সামুদ্রিক মলা শুঁটকী দিয়ে মজাদার চিচিঙ্গা ও শুঁটকী রেসিপি
চিচিঙ্গা ও শুঁটকী! আমি জানি এই দুটো দেখলেই অনেকে পোষ্ট ছেড়ে চলে যাবেন। হা হা হা আসলে এই দুটোর কম্বিনেশন একটা চমৎকার সংযোগ। এই ধরনের রান্না আপনারা কেহ রান্না করেন কি না জানি না। তবে এটাও আমার একটা এক্সপেরিমেন্ট। চলুন কথা না বাড়িয়ে রেসিপি দেখে ফেলি। শুঁটকী লাভার্স গন আশা করি সাথে থাকবেন। সামুদ্রিক মলা শুঁটকী। শুঁটকী ভাল করে ভিজিয়ে ধুয়ে নিয়েছি, শুঁটকীর মাথা বাদ দিয়েছি। চিচিঙ্গা মজাদার সবজি। চিচিঙ্গা সিদ্ব করে নরম করে নিয়েছি। এতে রান্নায় সময় বাঁচবে।
কড়াইতে তেল গরম করে পরিমাণ মত পেয়াজ কুচি, রসুন বাটা, আদা বাটা, সামান্য লবণ ও কয়েকটা শুকনা মরিচ দিয়ে ভেজে নিলাম। (যারা নিয়মিত আমার রেসিপি দেখেন তারা নিশ্চয় এখন পরিমাণ বুঝে গেছেন)। এবার শুধু হাফ চামচ হলুদ এবং এক চিমটি লাল মরিচের গুড়া। শুকনা মরিচ দেয়াতে মরিচ কম দিলাম। বেশী ঝাল ভাল নয়! হাফ কাপ পানি দিয়ে ঝোল বানিয়ে নিলাম। কষে তেল উঠে গেলে শুঁটকী গুলো দিয়ে দিলাম। ভাল করে আবারো কষিয়ে নিলাম। শুঁটকী গুলো মজে/নরম হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা দরকার। এবার সিদ্ব করে রাখা চিচিঙ্গা দিয়ে দিলাম। হালকা আঁচে মিনিট বিশেক থাকুক। মাঝে লবণ দেখে নিয়েছি। শুঁটকী মাছে লবণ পরিমাণে একটু বেশী হলে খেতে স্বাদ লাগে আরো বেশী। ব্যস, পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।
স্ট্রবেরি ভর্তা
উপকরণ
*আধা কেজি ফ্রেশ স্ট্রবেরি (ছোট ছোট টুকরা করা)
*আধা চা চামচ লবণ
*আধা চা চামচ লাল মরিচের দানা দানা করে গুঁড়ো/চিলি ফ্লেক্স
*আধা চা চামচ বিট লবণ
*পাঁচ টেবিল চামচ চিনি
*পাঁচ টেবিল চামচ কাসুন্দি
*একটা ছোট্ট কাচের বয়াম
প্রণালীঃ স্ট্রবেরির মাথার পাতা ছাড়িয়ে ভালমত ধুয়ে ছোট ছোট টুকরো করে নিন। এরপর স্ট্রবেরি টুকরোগুলোকে বয়ামে ঢুকিয়ে একে একে তাতে পরিমাণমতো কাসুন্দি, চিনি, লবণ, বিটলবণ এবং মরিচ গুঁড়ো দিয়ে চামচ দিয়ে হালকা নেড়ে দিতে হবে। এরপর সেই বয়াম নিয়ে ইচ্ছামতো ঝাঁকাঝাঁকি করুন। যত ঝাঁকাঝাকি করবেন ভর্তা ততই মজা হবে, তবে হ্যাঁ শেক করতে করতে ভর্তাকে আবার জুস বানিয়ে ফেলবেন না। শেক করা শেষ হলে সেটা পুরনো সংবাদপত্র থেকে ছিড়া দুটো পাতায় ঢেলে দিয়ে তার উপরে দুই তিনটে পিকিং টুথপিক দিয়ে একদম টিএসসি উপায়ে পরিবেশন করুন।
১। লবণ দেওয়ায় স্ট্রবেরি নিজের ভেতরকার পানি ছেড়ে দেবে। তাই যদি ভর্তা আপনি পাঁচ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিয়ে তারপর খান তাহলে অন্যরকম স্বাদ পাবেন।
২। যাদের ভর্তা ভাল লাগে না,তারা এই একই উপায়েই ভর্তাটাকে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে স্ট্রবেরির টক-ঝাল-মিষ্টি শরবত করে সেটা ফ্রিজে রেখে দিয়ে ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা উপভোগ করতে পারেন।
৩। ভর্তায় ভুলেও কাঁচা পেয়াজ,কাঁচা মরিচ,ধনে পাতা,পুদিনা কিংবা অন্য কোনও সুগন্ধীযুক্ত মশলা ব্যবহার করবেন না। এতে স্ট্রবেরির নিজস্ব ঘ্রাণ নষ্ট হয়ে যাবে।
৪। ভর্তা কখনও গরমে বেশিক্ষণ রাখবেন না।রাখলে খুব জলদিই পচে যাবে।
৬। ভর্তা ডিপফ্রিজে রাখবেন না এরচেয়ে বরং একদম টাটকা বানিয়েই খাবেন।ফ্রিজে বরফ করে রেখে দিলে সেটা তার আসল ফ্লেভার হারিয়ে ফেলবে।
ওহ জানেন তো বিশ্বখ্যাত ফুড ক্রিটিক অস্ট্রেলিয়ান মাস্টারশেফ ম্যাট প্রেস্টন স্ট্রবেরি ভর্তার ছবি পোস্ট দিয়ে বলছেন, ‘এন আইডিয়া ওয়েল ওয়োর্থ ব্রিংগিং হোম’। ইদানিং ফেসবুকেও এই ভর্তার ক্রেজ নজরে পড়ার মতো। টিএসসির কলা ভবনের দিকে বেশি বিক্রি হয়। তাই ঘরে আর বাইরে যেখানে খুশি স্ট্রবেরি ভর্তা খান।
যে কোন মাছের মজাদার সহজ ভর্তা
উপকরণ:
– (পরিমাণ আপনি নিজেই নির্ধারন করতে পারেন)
– মাছের টুকরা ভাঁজা, আমরা রুই মাছ নিয়েছিলাম, দুই টুকরা, সামান্য লবন, হলুদ ও মরিচ গুড়া দিয়ে খুব কম তেলে ভেঁজে নিতে হবে (মাছ ভাঁজার রেসিপি গুলো দেখে নিতে পারেন)
– পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা বা ভেঁজেও নিতে পারেন
– শুকনা মরিচ ভাঁজা বা কাঁচা মরিচ কুঁচি, ঝাল একটু বেশী হলে ভাল লাগে
– ধনিয়া পাতার কুঁচি, দিন যা লাগে, যদি ভাল লাগে
– লবন পরিমান মত, প্রথমে কম দেয়াই ভাল, পরে দেখে দেয়া যেতে পারে
– সরিষার তেল, কয়েক চামচ
প্রণালী:
১. মাছ ভেঁজে নিন। বেশি কড়কড়ে ভাঁজা নয়!
২. এবার মাছের কাঁটা গুলো আলাদা করে ফেলে দিন।
৩. মাছ এভাবে জমিয়ে ফেলুন।
৪. এই হচ্ছে পরিমান মত সব উপাদান। এটা সেটা বেশি কম হলে স্বাদ কিছুটা এদিক সেদিক হবে, কিন্তু তাতে কি! তবে লবনের পরিমাণটা বুঝে শুনে দিতে হবে। প্রথমে কম লবন দিয়েই মাখানো শুরু করতে হবে। কাঁচা পেঁয়াজে যাদের আপত্তি আছে তারা পেঁয়াজ ভেঁজে নিতে পারেন *শুকনা মরিচ না থাকলে কাঁচা মরিচ কুঁচি দিয়েও এই ভর্তা বানাতে পারেন।
৫. মরিচ এবং লবন দিয়ে মাখা শুরু করতে পারেন।
৬. মাখুন।
৭. মাখুন।
৮. মলে মলে মাখুন। এই মলাতেই স্বাদ বেরিয়ে আসবে!
৯. আহ
১০. এবার সরিষার তেল নিন এবং সরিষার তেল দিয়ে ভাল করে মেখে, ফাইন্যাল লবন ও ঝাল স্বাদ দেখুন। লাগলে দিন।
১১. ব্যস পরিবেশনের প্রস্তুত। গরম সাদা ভাতের সাথে আরামসে খেতে বসে পড়ুন। ডিলিশিয়ার্স আইটেম। এই দুনিয়াতে ভর্তার উপরে কি কোন কথা আছে, না নাই!
আলু ভর্তা
উপকরণ:
আলু ২ টা (বড়)
পেঁয়াজ ১ টা (কুঁচি)
শুকনা মরিচ ৪/৫ টা (সরিষার তেলে ভেজে নেওয়া)
লবণ স্বাদ মত
সরিষার তেল বা আচারের তেল প্রয়োজন মত।
প্রণালীঃ আস্ত আলু খোসা সহ সেদ্ধ করে নিন। পানি ঝরিয়ে একটু ঠাণ্ডা হতে দিন। তারপর খোসা ছাড়িয়ে নিন। সরিষার তেলে শুকনা মরিচ মচমচে করে ভেজে নিন। তারপর একটা পাত্রে কুঁচি করে কাটা পেঁয়াজ, ভাজা শুকনা মরিচ (বিচি ফেলে নেবেন) আর লবণ দিয়ে ভাল করে মেখে নিন। তারপর আলু-ও যতটা সম্ভব ভাল করে চটকে মাখিয়ে নিন। পেঁয়াজ, মরিচ, আলু একসাথে মাখা হয়ে গেলে পছন্দ এবং পরিমাণ মত সরিষার বা আচারের তেল মিশিয়ে পরিবেশন করুন।
ডাল ভর্তা
ডাল ভর্তার উপকরণ:
মশুরের ডাল ১৫০ গ্রাম
পেঁয়াজ ১ টা (কুঁচি)
রশুন ৩ কোয়া
কাঁচা মরিচ ৪/৫ টা
ধনেপাতা কুঁচি ১ চা চামচ
লবণ স্বাদ মত
সরিষার তেল বা আচারের তেল প্রয়োজন মত
প্রণালীঃ মশুর ডাল অল্প পানি, অল্প লবণ, কাঁচা মরিচ আর রশুনের কোয়া দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। একটা পাত্রে পেঁয়াজ কুঁচি, লবণ আর ধনেপাতা কুচি ভাল ভাবে মেখে নিয়ে তাতে সেদ্ধ ডাল দিয়ে মসৃণ করে মেখে নিতে হবে। তারপর পছন্দ এবং পরিমাণ মত সরিষার বা আচারের তেল মিশিয়ে নিলেই ভর্তা তৈরি। আপনি চাইলে কাঁচা মরিচের বদলে ভাজা শুকনা মরিচ আর কাঁচা পেঁয়াজের পরিবর্তে সরিষার তেলে ভেজে নেওয়া পেঁয়াজ ব্যবহার করতে পারেন।
মজাদার নারিকেল-বরবটি ও কাঁচকলার ভর্তা রেসিপি
উপকরণ: বরবটি টুকরা করে কাটা ১ কাপ। নারিকেল কুড়ানো আধা কাপ। পেঁয়াজ কুচি ৪,৫টি। কাঁচা অথবা শুকনামরিচ ৭,৮টি। ধনেপাতা পছন্দ মতো। লবণ স্বাদ মতো। সরিষার তেল ৪ টেবিল-চামচ।
পদ্ধতি: বরবটি প্রথমে সিদ্ধ করে নিতে হবে। সরিষার তেল বাদে বাকি সব উপকরণ হালকা ভেজে নিন। সব উপকরণ পাটায় বেটে সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে নিন। হয়ে গেল ভর্তা।
কাঁচকলার ভর্তা
উপকরণ কাঁচকলা সিদ্ধ ১ কাপ। পেঁয়াজকুচি ৪,৫টি। লবণ স্বাদ মতো। কাঁচামরিচ নিজের পছন্দ মতো। ঘি বা সরিষার তেল ২ টেবিল-চামচ।
পদ্ধতি: সিদ্ধ কলাগুলো আগে হাত দিয়ে চটকিয়ে নিন। পেঁয়াজকুচি, মরিচ, ধনেপাতা-কুচি(যদি দিতে চান) ও লবণ দিয়ে চটকানো কলা, ঘি বা সরিষার তেল দিয়ে একসঙ্গে মাখিয়ে নিলেই হয়ে যাবে কাঁচকলার ভর্তা।
লাউয়ের খোসা দিয়ে মজার একটি ভর্তা
উপকরণ:
লাউয়ের খোসা কুচি ১ কাপ
চিংড়ি মাছ আধা কাপ
কাঁচামরিচ ৪টি
পেঁয়াজ কুচি এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ
ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ
লবণ আধা চা চামচ
সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ
প্রণালী: লাউয়ের খোসা সিদ্ধ করে ভাজা ভাজা করে নিন, যেন পানি না থাকে। চিংড়ি মাছ ও কাঁচামরিচ তেল মাখা তাওয়ায় ভেজে নিন।লাউয়ের খোসা, চিংড়ি মাছ, কাঁচামরিচ একসঙ্গে বেটে নিন।ধনেপাতা কুচি, পেঁয়াজ কুচি, লবণ ও তেল একসঙ্গে মেখে লাউয়ের খোসা বাটা ভালো করে মিশিয়ে দিন।
মজাদার নারিকেল-বরবটি ও কাঁচকলার ভর্তা রেসিপি
কয়েকটা পেঁয়াজ, একটি রসুন ও ঝাল বুঝে কয়েকটা কাঁচা মরিচ নিয়ে কুঁচি কুঁচি করে কেটে নিন। এবার পরিমাণ মত কিছু কালি জিরা নিয়ে কড়াইয়ে সামান্য ভেঁজে নিন। খেয়াল রাখবেন, যেন পুড়ে না যায়। এবার ভাঁজা কালিজিরাগুলোকে পাটায় বেঁটে নিন ভালোভাবে।
এরপর কড়াইতে পরিমাণ মত তেল দিয়ে এতে কুঁচি করে রাখা পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ ও স্বাদমতো লবন দিয়ে ভেঁজে নিন। এবার এই পেঁয়াজ-রসূন ভাঁজাগুলো পাটায় বাটুন। এখন এতে কালি জিরা বাঁটাটুকু দিয়ে আবার ভালোভাবে মিহি করে বেটে নিন। ব্যস হয়ে গেল ঔষধি ‘কালি জিরা ভর্তা।
মজাদার চীনা বাদামের ভর্তা রেসিপি
আবার একটা নতুন ভর্তা নিয়ে উপস্থিত হলাম আপনাদের সামনে। যেমন তেমন ভর্তা না, স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী একটা ভর্তা, চীনাবাদাম ভর্তা। চীনাবাদামের উপকারী গুন সম্পর্কে আশাকরি অনেকেই অবগত আছেন। প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ১০ গ্রাম চীনাবাদাম খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা। নিয়মিত চীনাবাদাম খেলে ক্যানসার, হৃদরোগে এবং অকালমৃত্যুর ঝুঁকি কমে। গবেষকেরা বলছেন, চীনাবাদাম ও নানা জাতের গাছ-বাদামে এমন পুষ্টি উপাদান আছে যা অনেক রোগ থেকেই আমাদের বাঁচাতে পারে। আর সেই জিনিস আমাদের বাঙালী স্টাইলে ভর্তা করে খেলেতো আর কথাই নেই!
তৈরী করতে যা যা লেগেছে
চিনা বাদাম ২৫০ গ্রাম
শুকনো মরিচ ৫ টি
বড় পেঁয়াজ ১ টি
বড় রসুন ১ টি
স্বাদ অনুযায়ী লবণ
১ চা চামুচ সরিষার তেল
প্রয়োজন মতো রান্নার তেল
সব উপকরন এক সাথে মিশিয়ে চটকিয়ে ভর্তা করে নিয়ে পরিবেশন করুন।
বাঁধাকপি ও গাজর ভাজি রেসিপি
উপাদান:
1 বাঁধাকপি এবং 1 গাজর
4 টেবিল চামচ তেল
1 চামচ কালো সরিষা বীজ
2টা শুকনো লাল মরিজ
1 বাঁধাকপি finely টুকরাকরা 350 গ্রাম গাজর কুচি
2টা কাটা কাঁচা মরিজ কেটে বীচি বাদ
1/2 চা চামচ চিনি
4 টেবিল-চামচ, কাঁটা তাজা ধনে পাতা
1 চামচ তাজা লেবুর রস
পদ্ধতিঃ একটি প্যানে তেল নিয়ে গরম করুন ৷ সরিষা বীজ এবং শুকনো লাল মরিজ তেলে দিয়ে দিন সরিষা বীজ বাঁধাকপি, গাজর ও কাঁচা মরিজ দিয়ে দিন তাপ কমিয়ে 30 সেকেন্ডের জন্য গরম করুন চিনি এবং ধনে যোগ করুন; ঢাকনা দিয়ে 2 মিঃ গরম করুন এখন লেবুর রস যোগ করুন পরিবেশনের আগে শুকনো লাল মরিজ ফেলে দিন।
মজাদার করল্লা ভাজি রেসিপি
গরম ভাতের সাথে মচমচে করল্লা ভাজি কিন্তু খেতে বেশ দারুন লাগে। আর তাই আজ বিডি রান্নাঘর আপনাদের দেখাবে কিভাবে মচমচে করে করল্লা ভাজি করেত হয়। আপনারা হয়ত অনেকেই এই রেসিপিটি জানেন। যারা জানেন তারা একবার মিলিয়ে নিতে পারেন। যারা জানেনা তারা দেখে নেন রেসিপিতি।
উপকরণ: পরিমান মত করল্লা, বেশি করে পেয়াজ কুচি, ২-১ টা আলু কুচি, কাঁচামরিচ ফালি, লবণ, হলুদের গুড়া ও সামান্য তেল।
রান্নার নিয়ম:
১। প্রথমে কড়াইয়ে সামান্য পরিমান তেলে কাঁচামরিচ দিয়ে আলু ও করল্লা ঢেলে নেড়ে চুলার আচ কমিয়ে ঢেকে দিন।
২। ৫-১০ মিনিট পর ঢাকনা খুলে পেয়াজ কুচি, লবণ ও হলুদের গুড়া দিয়ে নেড়ে দিন।
৩। করল্লা ও আলু সেদ্ধ হলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন।
৪। গরম ভাত অথবা রুটির সাথে পরিবেশন করুন।
লাউয়ের খোসা দিয়ে মজার একটি ভর্তা
গরম ভাতের সাথে মচমচে করল্লা ভাজি কিন্তু খেতে বেশ দারুন লাগে। আর তাই আজ বিডি রান্নাঘর আপনাদের দেখাবে কিভাবে মচমচে করে করল্লা ভাজি করেত হয়। আপনারা হয়ত অনেকেই এই রেসিপিটি জানেন। যারা জানেন তারা একবার মিলিয়ে নিতে পারেন। যারা জানেনা তারা দেখে নেন রেসিপিতি।
উপকরণ: পরিমান মত করল্লা, বেশি করে পেয়াজ কুচি, ২-১ টা আলু কুচি, কাঁচামরিচ ফালি, লবণ, হলুদের গুড়া ও সামান্য তেল।
রান্নার নিয়ম:
১। প্রথমে কড়াইয়ে সামান্য পরিমান তেলে কাঁচামরিচ দিয়ে আলু ও করল্লা ঢেলে নেড়ে চুলার আচ কমিয়ে ঢেকে দিন।
২। ৫-১০ মিনিট পর ঢাকনা খুলে পেয়াজ কুচি, লবণ ও হলুদের গুড়া দিয়ে নেড়ে দিন।
৩। করল্লা ও আলু সেদ্ধ হলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন।
৪। গরম ভাত অথবা রুটির সাথে পরিবেশন করুন।
টেস্টি ধুন্দল ভর্তা
কতো ধরণের ভর্তাই তো করেছেন। কিন্তু, উপকারী “ধুন্দল” ভর্তা কখনো করেছেন কি? না করে থাকলে আজই ট্রাই করে দেখুন। ভালো না লাগলে মূল্য ফেরত। তাহলে দেখেনিন রেসিপিটি।
উপকরণ:
কচি/জালি ধুন্দল ১/২ কেজি
পেঁয়াজ কুচি– ৪-৫টি
কাঁচামরিচ– ৫-৭টি
শুকনামরিচ টালা– ৩-৪টি
সরিষার তেল ও লবণ– পরিমাণমতো
যেভাবে করবেনঃ ধুন্দল ছিলে আস্ত অবস্থায় ধুয়ে টুকরা করে নিন। অল্প পানি দিয়ে ধুন্দল ও কাঁচামরিচ সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার অন্যান্য উপকরণসহ হাত দিয়ে ভালোভাবে চটকিয়ে ভর্তা করে নিন। গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন দারুন মজার ধুন্দল ভর্তা।
মজাদার পেঁপে ভর্তা
উপকরণ:
কয়েক পিস পেঁপে (পরিমান আপনি খাবারের সদস্য দেখে নিন)
পেঁয়াজ কুঁচি, একটা
কাঁচা মরিচ কুঁচি (ঝাল বুঝে)
ধনিয়া পাতার কুঁচি
সরিষার তেল
লবন (পরিমান মত)
সামান্য/ একচিমটি চিনি
প্রণালী: পেঁপে অনেকে খেতে চান না, কিন্তু আমার কাছে পেঁপে ভাল লাগে। মাছ কিংবা গোসত দিয়ে পেঁপে রান্না খুবই মজাদার (আগামীতে পেঁপে যোগে শোল মাছ রান্না দেখাবো আপনাদের)। লবন পানিতে পেয়ে সিদ্ব করে নিন। সিদ্ব পেঁপেকে ভাল করে গলিয়ে নিন। মিহীন হলে ভাল। সামান্য সরিষার তেলে পেঁয়াজ এবং মরিচ কুঁচি ভাজুন, একচিমটি লবন দিতে ভুলবেন না। এটাই হচ্ছে বাগার টাইপ। পেঁয়াজ কুঁচি হলদে রং হয়ে গেলে এবার পেঁপে দিয়ে দিন। ভাল করে খুন্তি দিয়ে ভাজুন। সামান্য একটু চিনি দিয়ে দিন। ফাইন্যাল লবন দেখুন। এবার ধনিয়া পাতার কুঁচি দিন। ভাল করে মিশিয়ে নিন। ব্যস পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।
মজাদার নারিকেল ভর্তা
আজ বিডি রান্নাঘর আপনাদের দেখাবে একটা মজার ভর্তার রেসিপি। আর তা হল নারিকেল ভর্তা খেতে খুব সুস্বাদু আর বানানোও খুব সহজ। আমরা পাটা পুতায় বেটে বানিয়েছি, আপনি চাইলে ব্লেন্ডারেও এই ভর্তা বানাতে পারেন। তবে আমরা যেহেতু ইটলী, বড়া, দোসা খাই না, সেহেতু এই ভর্তা আপনি চাইলে পোলাও বা সাদা ভাতের সাথেও খেয়ে পারবেন। মন্দ লাগবে না! তাহলে চলুন দেখে নেই কি কি লাগবে তৈরি করতে।
উপকরণ:
নারিকেল কুচানো, হাফ কাপ
শুকনা লাল মরিচ, ঝাল বুঝে কয়েকটা, বেশী ঝাল চাইলে বেশী
লবন, স্বাদ মত
(পরিমানটা আপনি নিজেও নির্ধারন করতে পারেন)
প্রণালী: এই হচ্ছে উপকরন সমূহ, এত কম উপকরণে ভর্তা, বুঝতেই পারছেন, কত সহজ। মরিচ পিষে নিন, সামান্য পানি যোগে। মরিচ মিহীন করে পিষতে হবে, সাথে লবন দিন। এবার নারিকেল কুরানো নিন এবং আবারো সামান্য লবন যোগে পিষুন। এবার ভাল করে মাখিয়ে নিন। মাখান! গোল্লা বানিয়ে ফেলুন। ব্যস, পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। চাইলে সামান্য একটু নারিকেল কুরানো দিয়ে ডেকোরেশন করে নিতে পারেন।
লইট্টা শুটকি ভর্তা রেসিপি
শুটকি ভর্তা খেতে পছন্দ করে না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া ভার। ছোট বড় সবাই শুটকি ভর্তা খেতে খুব পছন্দ করে। অনেক রকমের ভর্তাই তো খেয়েছেন কিন্তু লইট্টা শুটকি ভর্তা খেয়েছেন কি? না খেয়ে থাকলে আজই খেয়ে দেখুন। তাহলে আর দেরি না করে দেখে নিন রেসিপিটি।
উপকরণ
লইট্টা শুটকি ৫০ গ্রাম।
রসুন ২ টা বড়,
শুকনা মরিচ ৫ টা,
পেয়াজ কুচি ১/২ কাপ,
লবন পরিমান মত,
তেল ২ টেবিল চামচ।
প্রনালীঃ লইট্টা ভালো করে পরিষ্কার করে নিয়ে ১কাপ পানি দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে। এবার প্যান এ তেল দিয়ে মরিচ ভেজে একে একে রসুন, পেয়াজ, দিয়ে নাড়তে হবে। হালকা ভাজা ভাজা হলে শুটকি দিয়ে ভালো করে টেলে নিতে হবে। এরপর শিল নোড়াই ভালো করে বেটে নিতে হবে। ভাত খিচুড়ি, পোলাও বা চিতোই পিঠার সাথে খুব মজা লাগে।
টমেটো ভর্তা বানানোর সবচেয়ে সহজ রেসিপি
উপকরণঃ
টমেটো ছোট কিউব করে টুকরা করা ৪ কাপ
রসুন মিহি কুচি ২ টেবল চামচ
পেঁয়াজ কুচি হাফ কাপ
তেঁতুলের মাড় ২ টেবল চামচ (যদি টক পছন্দ না করেন তাহলে তেঁতুলের মাড় টা না দিয়েও করতে পারেন , আমি মিষ্টি চেরি টমেটো দিয়ে করেছি , তাই টক এর সাথে চিনি দিয়ে টক আর মিষ্টির ভারসাম্য করেছি )
পেঁয়াজ বেরেস্তা ২ টেবল চামচ ( হাতে চটকে মিহি গুঁড়া করে নেয়া )
শুকনা মরিচ টেলে গুঁড়া করা ২ চা চামচ ( ঝাল কম বেশি করা যাবে )
চিনি হাফ চা চামচ
লবন স্বাদমত
সরিষার তেল ৪ টেবল চামচ
ধনিয়া পাতা কুচি ৪ টেবল চামচ
প্রস্তুত প্রণালীঃ প্রথমে একটা প্যান এ টমেটো কিউব, হাফ চা চামচ চিনি আর রসুন কুচি দিয়ে মিডিয়াম আঁচে রান্না করুন, দেখবেন আস্তে আস্তে টমেটোর টুকরাগুলো গলে যাচ্ছে, এক্সট্রা পানি দিতে হবে না টমেটো থেকেই পানি বের হবে। টমেটো গলে মসৃন হয়ে পানি টেনে আসলেই চুলা থেকে নামিয়ে নিন। এখন একটা বাটিতে পেঁয়াজ কুচি, শুকনা মরিচ টেলে গুঁড়া করে নেয়াটা, লবন দিয়ে মাখিয়ে নিন। এবার এতে রান্না করা টমেটো, তেঁতুলের মাড়, গুঁড়া করা পেঁয়াজ বেরেস্তা, ধনিয়াপাতা কুচি, লবন স্বাদমত, সব শেষে সরিষার তেল দিয়ে খুব ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ব্যাস ভর্তা পরিবেশন এর জন্য তৈরী। গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন জলদি জলদি।
কচুর ডাঁটার ভর্তা
উপকরণ: কচুর মোটা ডাঁটা আধা কেজি, ইলিশ মাছের মাথা ১টি, রসুন কুচি ৪ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, আদা বাটা আধা চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ কুচি ৩ টেবিল চামচ, আদা কুচি ২ টেবিল চামচ, সয়াবিন বা সরিষা
১. প্রথমে ডাঁটার খোসা ছিলে ২ ইঞ্চি লম্বা করে কেটে লবণ-পানিতে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন।
২. কড়াইয়ে পানি, আদা বাটা, রসুন বাটা দিয়ে ডাঁটা সিদ্ধ করে নিন।
৩. এরপর কড়াইয়ে তেল গরম করে ইলিশ মাছের মাথা হলুদ ও লবণ দিয়ে ভেজে ভেঙে দিন। ওই তেলে রসুন কুচি, আদা কুচি, পেঁয়াজ কুচি একটু লাল করে ভেজে সিদ্ধ করা ডাঁটা, মাছের মাথা ও লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে কাঁচা মরিচ ফালি দিয়ে নামিয়ে নিন।
তিল বেগুনের ভর্তা
উপকরণঃ বেগুন ২টি, তিল ১ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন কুচি ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ কুচি সিকি কাপ, সরিষার তেল ৪ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি ২-৩টি, পোস্তদানা ১ চা চামচ, গোটা সরিষা ১ চা চামচ, সরিষার তেল ৪ টেবিল চামচ, গোটা জিরা ১ চা চামচ, শুকনা মরিচ ২টি, টমেটো ২-৩টি, আলু সিদ্ধ ১টি।
যেভাবে তৈরি করবেনঃ
১. বেগুন পুড়ে ভর্তা করে নিন। টমেটো পানিতে সিদ্ধ করে ভর্তা করে নিন।
২. তিল, সরিষা ও পোস্ত বেটে নিন।
৩. কড়াইয়ে তেল দিয়ে রসুন কুচি, পেঁয়াজ কুচি হালকা লাল করে ভেজে আদা বাটা, তিল, সরিষা ও পোস্ত বাটা দিয়ে কষিয়ে বেগুন, টমেটো, আলু সিদ্ধ দিয়ে নাড়তে থাকুন যেন লেগে না যায়।
৪. লবণ ও কাঁচা মরিচ ফালি দিয়ে নামিয়ে নিন।
কলার মোচার ভর্তা
উপকরণ: কলার মোচা ২টি, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ কুচি সিকি কাপ, সরিষার তেল ৪ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ২-৩টি, ছোট চিংড়ি মাছ পরিমাণমতো, ঘি ১ চা চামচ।
যেভাবে তৈরি করবেনঃ
১. মোচা থেকে ফুল আলাদা করে ফুলের ভেতর শলাকার মতো সাদা অংশটি ফেলে দিয়ে লবণ-পানিতে ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন
২. কড়াইয়ে তেল দিয়ে লবণ ও হলুদ দিয়ে চিংড়ি মাছ হালকা করে ভেজে নিন।
৩. মোচার ফুল লবণ, আদা বাটা, রসুন বাটা দিয়ে সিদ্ধ করে বেটে নিন।
৪. এরপর কড়াইয়ে তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি হালকা করে ভেজে বাটা ফুলগুলো দিয়ে চিংড়ি মাছ, কাঁচা মরিচ ও লবণ দিয়ে নেড়ে নিন যেন পানি না থাকে।
৫. সবশেষে ঘি দিয়ে নামিয়ে নিন।
মিস্টি কুমড়া ভাজি রান্না রেসিপি
মিষ্টি কুমড়াও আমার একটা প্রিয় খাবার। বাঙ্গালী মাত্রই মিষ্টি কুমড়া দেখেছেন এবং খেয়েছেন। মিষ্টি কুমড়ার একটা বিরাট বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এটা যে কোন মিক্স ভেজিটেবেলের সাথেও চলে। আর নিজে একাই একশত! ভাজি কিংবা হালকা ঝোলে রান্না এবং গরম ভাত কিংবা রুটির সাথে বেশ মানান সই! সবাই এই ভাজি রান্না করতে জানে। তারপরেও মিলিয়ে নিতে পারেন আর এক বার।
যা যা প্রয়োজন:
মিস্টি কুমড়া মাঝারি আকারের ১/৪ ভাগ
পিয়াজ কুচি ১/৪ কাপ
কাঁচামরিচ ফালি ১০-১২টি
পাঁচফোড়ন ১ চা চামচ
শুকনা মরিচ ২টি
তেজপাতা ১টি
হলুদ/ধনে গুড়া ১/২ চা চামচ করে
তেল/লবন পরিমানমতো
যেভাবে করবেনঃ মিস্টি কুমড়া আগে ছিলে, তারপর ধুয়ে একটু মোটা করে কেটে নিন। কাটার পর মিস্টি কুমড়া কখনো ধোবেন না। এতে মিস্টি কুমড়া অতিরিক্ত পানি শোষন করবে, তাই রান্নার সময় গলে যেতে পারে। মিস্টি কুমড়ার সাথে পিয়াজ, কাঁচামরিচ মিশিয়ে রাখুন। প্যানে তেল গরম করে তেজপাতা, শুকনামরিচ ও পাঁচফোড়ন ফোঁড়ন দিয়ে মিস্টি কুমড়া দিন। পরিমানমতো লবন ও হলুদ/ধনে গুড়া মিশিয়ে আঁচ কমিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন। পানি বের হলে ঢাকনা খুলে আঁচ মাঝারি করে রান্না করুন। মাঝে মাঝে নেড়ে দিন। সেদ্ধ হয়ে গেলে আঁচ একদম মৃদু করে কিছুক্ষন চুলায় রাখুন, যাতে বাকি পানি টেনে যায়। একটু চিনি দিন। হয়ে গেলে নামিয়ে নিন। সাদা ভাত অথবা চাপাতি/ রুটি দিয়ে পরিবেশন করুন।
মজাদার ‘টাকি মাছের ভর্তা’ রেসিপি
টাকি মাছটা কম-বেশি সবারই অনেক পছন্দের খাবার! আজ আমরা জানবো টাকি মাছের ভর্তার রেসিপি।
উপকরণ ও পরিমাণ
টাকি মাছ (বড়) ৩টা
সরিষার তেল ৩ টেবিল চামচ
কাঁচা মরিচ ৮/৯টা
পেঁয়াজ বড় ৪টা
আদা কুচি হাফ চা চামচ
ধনে পাতা পরিমাণমতো
লবণ পরিমাণমতো
প্রণালী: প্রথমে ২ টেবিল চামচ সরিষার তেলে মাছটা ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে। এমনভাবে ভাজতে হবে যাতে মাছের চামড়ার অংশটায় একটা ক্রিস্পিনেস আসে আর ভেতরটা হবে মোমের মতো নরম। এবার বাকি তেলে একে একে কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ ভেজে তুলতে হবে। যারা ঝাল কম খান তারা কাঁচা মরিচটা সবচেয়ে ভালোভাবে ভাজতে হবে, এতে ঝালটা বেশ কমে যাবে। পেঁয়াজ হালকা ভাজতে হবে যেন লাল না হয়ে যায়। সবার শেষে ভাজতে হবে ধনে পাতা ৩০-৪৫ সেকেন্ড। বেশি ভাজলে স্মেল নষ্ট হয়ে যাবে। ভাজা মাছগুলোর কাঁটা বেছে নিয়ে আলাদা করতে হবে। এইবার একে একে সব উপকরণ হাতে চটকে নিতে হবে। এইবার বাকি এক টেবিল চামচ সরিষার তেল পুরোটা ঢেলে ভালোভাবে মেখে নিতে হবে। ব্যাস খুব সহজেই তৈরি হয়ে গেল দারুন মজাদার টাকি মাছের ভর্তা।

