শিরোনাম
শনি. ফেব্রু ২১, ২০২৬

ডায়াবেটিক রোগীদের তিনবেলার খাবারের ফাঁকে হালকা ৫ জলখাবার

খাবারদাবারে বিধিনিষেধের শেষ নেই ডায়াবেটিক রোগীদের। ইচ্ছে করলেই যা কিছু খেতে পারেন না। আবার পেটও খালি রাখা যাবে না। তিনবেলার খাবারের ফাঁকে হালকা কিছু খেয়ে নিতে হয়। ক্ষেত্রে নিচের খাবারগুলো স্ন্যাক্স হিসেবে তাদের জন্য হতে পারে উপাদেয়।

১. বাদাম: ডায়াবেটিস রোগীরা দুপুরের খাবারের আগে নাশতা হিসেবে একমুঠো বিভিন্ন ধরনের বাদাম- কাজুবাদাম, কুমড়া বিচি, কেশনাট, সিসেম বিচি, টিসি, আখরোট খেতে পারেন। এগুলোতে সমৃদ্ধ ফাইবার, প্রোটিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। তবে হজমে সমস্যা থাকলে অতিরিক্ত বাদাম খাওয়া উচিত নয়।

২. টমেটো ও ধনেপাতার সালাদ: ক্যালরির পরিমাণ কম এমন সালাদ সারা দিন শরীরকে সতেজ রাখবে। সালাদ বানাতে অনেক সময়ের প্রয়োজন হলেও টমেটোর এই সালাদ সহজে বানাতে পারেন। টমেটো ও ধনেপাতা কুচি কুচি করে কেটে এর সঙ্গে লেবুর রস এবং গোলমরিচ দিয়ে মেশালেই প্রস্তুত সালাদ।

৩. মৌসুমী ফলের সঙ্গে চাট মসলা: যেকোনো ধরনের মৌসুমি ফলেই উচ্চমাত্রায় ফাইবার থাকে। ফলে কম গ্লাইকেমিক ইনডেক্স থাকার কারণে এটি রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফল খাওয়ার সময় এতে চাট মসলা ছিটিয়ে দিতে পারেন।

৪. পালং ও বাঁধাকপির জুস: জুস বানানোর ফলে সবজি বা ফলের ফাইবার উপাদান নষ্ট হয়ে যায়। তাই আস্ত খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। জুস খাওয়া ভালো তবে তা্ টাটকা এবং বাড়িতে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হতে হবে। টাটকা পালংশাক এবং বাঁধাকপির পাতা সামান্য পানির সঙ্গে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন এবং পান করুন।

৫. গাজর ও হিউমাস: গাজর ধুয়ে খোসা ছিলে চাক চাক করে কেটে হিউমাসে মিশিয়ে নিন। এটিতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কম থাকে এবং স্ন্যাক্স হিসেবে চমৎকার। যারা গাজর অপছন্দ করেন তারা এর পরিবর্তে শসা ব্যবহার করতে পারেন।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *