শিরোনাম
শনি. জানু ৩১, ২০২৬

তারা কেউ কোরবানির পক্ষে, কেউ দানের পক্ষে!

কোরবানি দেওয়ার উপযুক্ত হওয়ার পর থেকে প্রতিবছরই কোরবানি দিয়েছি। কিন্তু এ বছর কোরবানি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ঢাকাতেই থাকব এবার। গরু হয়তো কেনা যেত, অনলাইনে গরু পাওয়া যায়। অনেকে বলেছেও গরু পৌঁছে দেবে বাসায়। কিন্তু মন বলছে, এবার কোরবানির জন্য বরাদ্দ অর্থটা আমি যেন অসহায়দের মধ্যে ভাগ করে দিই। নিয়মই আছে, কোরবানির পশুর মাংসের একটা অংশ গরিব-অসহায়দের, একটা অংশ নিজের, আরেকটা অংশ আত্মীয়-স্বজনের। আমি পুরো টাকাটাই মানুষের মাঝে দিতে চাই। তাছাড়া, কোরবানি দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ওদের কাছে মাংস পৌঁছে দেওয়াও সম্ভব হবে না। তাই নির্দিষ্ট কিছু মানুষকে সাহায্য করব।

সাদিকা পারভীন পপি

করোনার শুরু থেকেই আমি খুলনায়। ঈদে খুলনা আসতামই, এবার আগে থেকেই আছি। যখন থেকে উপার্জন করা শুরু করেছি তখন থেকেই কোরবানি দিচ্ছি। এবারও দেব। অনেকে হয়তো দিচ্ছেন না, তারা কোরবানির অর্থ গরিবদের মাঝে বিলিয়ে দেবেন ভাবছেন। আমি মনে করি কোরবানি দেওয়াটাই উচিত। কোরবানি ও দান দুটি আলাদা বিষয়। আমাদের পরিচিত কিছু লোক আছেন, তারা গরু কিনে আমাদের বাড়িতে দিয়ে যান। ঈদের দিন গরু জবাই, মাংস কাটাকুটি, ভাগ করা থেকে শুরু করে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার সব কাজ তারাই করেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব কিছু করার কথা বলে দিয়েছি। সাধ্যমতো চেষ্টা করব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার।

জাকিয়া বারী মম

অর্থ উপার্জনের পর থেকে প্রতিবছরই কোরবানি দেওয়ার চেষ্টা করি। তবে এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। আমি মনে করি, পশু কেনার টাকাটা কাউকে দান করলে তাদের বেশি কাজে লাগবে। মানুষকে একবেলা ভরপেট মাংস দিয়ে ভাত খাওয়ানোর চেয়ে তাকে অর্থ সাহায্য করাটাই ভালো। তাহলে নিজেই ঠিক করতে পারবেন টাকাটা দিয়ে তিনি কী করবেন। আসছে দিনে অর্থনৈতিক সংকট আরো প্রকট হতে পারে। সে জন্যই আমি কোরবানির জন্য বরাদ্দ রাখা অর্থ দান করতে চাই। অনেকে হয়তো কোরবানি দেবেন, সেটারও বিপক্ষে নই।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *