শিরোনাম
মঙ্গল. মার্চ ৩, ২০২৬

তিরিশোর্ধ্ব মহিলাদের এই টেস্টগুলো নিয়মমাফিক করাতেই হবে, না হলে বিপদ!

নারীদেহে রয় এবং নারীদেহে ক্ষয় এই শব্দটির সঙ্গে অনেকেই পরিচিত। মেয়েদের শারীরিক নানান রকম পরিবর্তন এবং তার সঙ্গে হরমোনাল স্বাস্থ্য সব মিলিয়ে বয়স একটু ঊর্ধ্বমুখী হলেই শারীরিক প্রতিক্রিয়া ‘নো মোর’ বলে দেয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিপাক এবং অন্যান্য পাচনতন্ত্রের সমস্যার সঙ্গে সঙ্গে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এগুলি সাধারণ বিষয়।

এমনিতেই কাজের চাপ, এবং মানসিক অশান্তি মানুষের শারীরিক অবস্থার সঙ্গে সঙ্গে হরমোনাল পরিবর্তন করতে সক্ষম। জীবনযাত্রায় রোগ প্রতিরোধ এবং তাদের নির্মূল করার উপায় খুব সহজ নয়। তবে আদৌ আপনার দেহে এগুলির আগমন ঘটেছে কিনা সেই সম্পর্কে ধারণা থাকা দরকার। তার জন্য বছরে কিছু সময় অন্তর অন্তর রক্ত পরীক্ষা করা দরকার। ডা. গীতা ঔরঙাবাদকর জানান, যে সকল দৈহিক পরীক্ষা নিরীক্ষা অবধারিত করা উচিত তার মধ্যে,

কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট ( সম্পূর্ণ রক্ত প্লেট গণনা ): সিবিসি একটি বয়সের পর যথেষ্ট পরিমাণে দরকারি শরীরের প্রয়োজনে। রক্ত শূন্যতা থেকে বিরল সংক্রমণ এবং ব্লাড ক্যানসার জাতীয় ব্যাধি শনাক্ত করতে এটি ব্যবহৃত হয়। এই ব্যাধিগুলি ছাড়াও রক্তে কী পরিমাণে লোহিত রক্ত কণিকা, শ্বেত রক্ত কণিকা, হিমোগ্লোবিন এবং প্লেটলেট গণনায় কাজে দেয়।

লিপিড প্রোফাইল: রক্তে আদৌ চর্বির পরিমাণ আছে কিনা সেই পরীক্ষা করতে লিপিড প্রোফাইল কাজে লাগে। কোলেস্টেরল সহ একাধিক বিষয় পরিমাপের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা হয়। হৃদরোগের ঝুঁকি আছে কিনা কিংবা রক্তনালীতে কোনও সমস্যা আছে কিনা সেই বিষয়েও জানান দেয়। থাইরয়েড এবং পিসিও এস লিপিড প্রোফাইলের সঙ্গেই যুক্ত।

থাইরয়েড: থাইরয়েড টেস্ট ৩ মাস অন্তর করা উচিত। প্রতি ১০ জনে ১ জন এই সমস্যার সম্মুখীন। যে লক্ষণ গুলি দেখা যায় তার মধ্যে, ওজন বৃদ্ধি, চুল পড়া, ঋতুচক্রের গন্ডগোল এবং প্রজননে বাঁধা এগুলিই মূল। দুই রকমের থাইরয়েড কিন্তু শরীরের পক্ষে খারাপ।

ব্লাড সুগার: এটিও একরকম শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায়। সুগার মানেই তার হাত ধরে নানান রোগ। চোখ, হার্ট থেকে লিভার কোনোকিছুই বাদ যায় না। প্রতি ৪ মাসে একবার সুগার টেস্ট করুন। সকালে হাঁটা অভ্যাস করুন এবং চিকিত্‍সকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খান। অতিরিক্ত মাত্রায় বেড়ে গেলে ইনসুলিন অবশ্যই নিন।

ব্লাড প্রেসার: এটির কোনও নির্দিষ্ট বয়স নেই। প্রেসার অবশ্যই মাপবেন। হাই প্রেসার এবং লো প্রেসার দুটিই খারাপ। ওষুধ একদিনও মিস করবেন না। মাসে অন্তত একবার প্রেসার মাপানো উচিত। মাখন, ঘি, পাঁঠার মাংস, ডিম এগুলি থেকে দূরে থাকুন।

শারীরিক প্রক্রিয়াকে সঠিক রাখতে এই বিষয়গুলি অন্তত মেনে চলুন।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *