শুভদীপ ব্যানার্জি: দুই রোনাল্ডো মানে একজন ক্রিশ্চিয়ানো, অপর জন ব্রাজিলের প্রাক্তনী ’দ্য ফেনোমেনন’। একটা ডজে দু’জনকেই ছিটকে ফেলে এগিয়ে গেলেন লিওনেল মেসি। একইদিনে ভাঙলেন দুই মহাতারকার রেকর্ড।
৯০ মিনিটের ম্যাচে দুর্দান্ত খেললেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি। খেলা শেষে আর্জেন্টিনার স্কোর ৩-০। তিনটি গোলেই মেসির অবদান। দুটিতে সরাসরি অ্যাসিস্ট করেছেন। আর শেষ মুহূর্তে অবিশ্বাস্য এক ফ্রি-কিক থেকে তৃতীয় গোল করেন মেসি নিজেই। ম্যাচের সেরার পুরস্কারও উঠেছে তাঁর হাতে।
একইসঙ্গে তিন গোলে অবদান রেখে বিরল একটি রেকর্ড গড়ে ফেলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মেজর কোনও টুর্নামেন্টের নকআউটে সবচেয়ে বেশি গোলে অবদান রাখার রেকর্ড গড়ে ফেলেন তিনি। বিশ্বকাপ এবং কোপা আমেরিকা মিলিয়ে মোট ২০টি গোলে সরাসরি অবদান রেখেছেন মেসি।
চলতি কোপা আমেরিকায় এখনও পর্যন্ত মোট চারটি গোল করেছেন মেসি এবং চারটিতে অ্যাসিস্ট করেছেন। বিশ্বকাপ এবং কোপা আমেরিকা মিলিয়ে নকআউটে মোট পাঁচটি গোল করেছেন মেসি। ১৫টিতে করেছেন অ্যাসিস্ট। ইকুয়েডরের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে বড় টুর্নামেন্টের নকআউটে মোট ১৭টি গোলে অবদান রেখে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনাল্ডো নাজারিওর সঙ্গে সমতায় ছিলেন এলএম টেন। এদিন ম্যাচ শেষে নকআউটে মোট ২০টি গোলে অবদান রাখার রেকর্ড গড়লেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রোনাল্ডো নকআউটে গোল করেছেন ১৩টি, অ্যাসিস্ট করেছেন ৪টি। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ফ্রান্সের গ্রিজম্যান। মোট ১৩ গোলে অবদান রয়েছে তাঁর। আটটি নিজে করেছেন, পাঁচটিতে অ্যাসিস্ট রয়েছে তাঁর। জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসের সংখ্যা ১১। আটটি গোল করেছেন তিনি, তিনটি অ্যাসিস্ট। পাঁচ নম্বরে পেলে। নয়টি গোলে অবদান রাখেন তিনি। সাতটি গোল করেন এবং দুটিতে করেছেন অ্যাসিস্ট।
আরও একটি বিরল রেকর্ড গড়েছেন মেসি ইকুয়েডরের বিপক্ষে। এদিন আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলটি তিনি করেন ফ্রি-কিক থেকে। এই নিয়ে ক্লাব এবং দেশের হয়ে মোট ৫৮টি ফ্রি-কিক থেকে গোল করেন মেসি। এক্ষেত্রে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে পিছনে ফেলেছেন মেসি। ক্লাব এবং দেশের হয়ে মোট ৫৭টি গোল ফ্রি-কিক থেকে করেছেন সিআর সেভেন।

