শিরোনাম
বুধ. ফেব্রু ১১, ২০২৬

নাগা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে বৈঠকে আসামের মুখ্যমন্ত্রী, তীব্র আপত্তি কংগ্রেসের

নাগা চুক্তির রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক প্রভাব নিয়ে আলোচনার জন্য প্রথম বার অসম মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এনএসসিএন আইএম নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে তাঁর নাগাল্যান্ডের সর্বদলীয় সরকার ও শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলে।

বুধবার সকালে দিল্লি থেকে ডিমাপুরে এসে প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী নেফিয়ু রিও ও উপ-মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই প্যাটনদের সঙ্গে আলোচনার পর চুমুকেডিমা পুলিশ কমপ্লেক্সে আইএমের প্রধান নেতা থুইংগালেং মুইভা-সহ শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক হয়। এই বৈঠক চলে ঘণ্টাখানেক। সেখানে ছিলেন রিও-ও।

তারপর স্থানীয় এক রিসর্টে ফের মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন হিমন্ত। শান্তি আলোচনার মধ্যস্থতাকারী ছিলেন একে মিশ্র। হিমন্ত পরে বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উত্তর-পূর্বে চিরস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চান। সেই উদ্দেশ্যে শান্তি আলোচনা নিয়ে আজ এনএসসিএন আইএম নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিনিময় করি।’

এনএসসিএনের সঙ্গে চুক্তি প্রসঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের দাবি, নাগা অধ্যুষিত এলাকাগুলি এক করে বৃহত্তর নাগালিম তৈরি করা। যেহেতু সবকটি রাজ্য বিজেপি শাসিত, তাই শাহ হিমন্তের হাতে আপস মীমাংসার ভার তুলে দেন বলে খবর।

হিমন্ত শুধু বলেন, ‘আমি নিয়মিত নাগাল্যান্ড, মণিপুর ও অন্যান্য উত্তর-পূর্বের রাজ্যে যাতায়াত করি। এ বারের সফরও রাজনৈতিক।” এনএসসিএন নেতা আরএইচ রাইজিং বলেন, ‘নতুন চুক্তিতে জনতাকে প্রতারণা করা হলে সেই চুক্তি অতীতের ১৬ দফা চুক্তি ও শিলং চুক্তির মতোই ব্যর্থ হতে বাধ্য।’

অবশ্য গোটা বিষয় নিয়ে আপত্তি জানিয়ে অসম কংগ্রেসের সভাপতি ভূপেন বরা বলেন, মানুষকে অন্ধকারে রেখে কোনও ভৌগোলিক বা রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা চলবে না।

এনএসসিএন (আইএম)-এর প্রধান থুইংগালেং মুইভার সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন হিমন্ত ও এন রিও। এরপর বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। তবে এই বৈঠক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। বলা হচ্ছে, ‘কোন যোগ্যতায় অসমের মুখ্যমন্ত্রী এনএসসিএন (আইএম)-এর সঙ্গে বৈঠক করলেন?’‌

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *