ওয়েবডেস্ক : গতকাল, সোমবার রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে আপাতত সপ্তাহে দু’দিন সারা বাংলায় পুরোপুরি লকডাউন কার্যকর হবে। মঙ্গলবার সেই লকডাউনের গাইডলাইন প্রকাশ করল রাজ্য সরকার।
কোন দশটি ক্ষেত্র খোলা থাকবে তা এক, দুই, তিন করে বলে দিয়েছে নবান্ন–
১.স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত যাবতীয় কিছু খোলা থাকবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্তদের যাতায়াতও স্বাভাবিক থাকবে।
২. ওষুধের দোকান খোলা থাকবে।
৩.থানা, আদালত, দমকলের দফতর লকডাউনের আওতায় পড়বে না।
৪. বিদ্যুৎ, জল ও সাফাই বিভাগে স্বাভাবিক কাজকর্ম চলবে।
৫. শিল্প কারখানাগুলি তাদের স্বাভাবিক কাজকর্ম চালু রাখতে পারবে। তবে নিজস্ব শ্রমিক দিয়ে সেই কাজ করতে হবে।
৬. কৃষিকাজ ও চা বাগানের কাজকর্ম স্বাভাবিক ভাবেই চলবে।
৭. এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্য এবং রাজ্যের মধ্যে পণ্য পারিবহণের কাজ চলবে।
৮. ই কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলি তাদের কাজ চালাতে পারে।
৯. প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও সোশ্যাল মিডিয়া লকডাউনের আওতার মধ্যে থাকছে না।
১০. রান্না করা খাবারের হোম ডেলিভারি করা যাবে।
সোমবার নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে আলাপনবাবু জানিয়েছিলেন, এই সপ্তাহে বৃহস্পতিবার ও শনিবার লকডাউন হবে। আগামী সপ্তাহে একটি বুধবার হবে লকডাউন। তবে পরের সপ্তাহে আর কোন দিন পুরো লকডাউন কার্যকর হবে তা সোমবার বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কন্টেইনমেন্ট জোনে লকডাউন আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত চলবে। স্বরাষ্ট্রসচিব জানিয়েছিলেন, বিভিন্ন স্তরের বিজ্ঞানী, চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন বাংলার কোথাও কোথাও গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে। সেই সংক্রমণের শৃঙ্খলে ‘সাডেন ব্রেক’ দিতেই সপ্তাহে দু’দিন লকডাউনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

