শিরোনাম
শুক্র. জানু ৩০, ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে বাড়ছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা, ২৭ হাজারের গণ্ডি ছাড়াল ফের

মাস খানেক আগে ধারাবাহিক সংক্রমণ কমার হার দেখে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছিলেন চিকিত্‍সক, স্বাস্থ্যকর্মীরা। আক্রান্তের তুলনায় বেশি মানুষ সুস্থ হওয়ার ফলে কমছিল অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সংক্রামিতের তুলনায় সুস্থ হচ্ছেন কম। ফলে কোভিড সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে রাজ্যে। দু’ সপ্তাহ আগেও যেখানে রাজ্যে কোভিড অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ২৪ হাজারের গণ্ডির মধ্যে ছিল, শনিবারের বুলেটিনে তা ছাড়িয়ে গেল ২৭ হাজার। রাজ্যে সংক্রমণের মাত্রা এবং সুস্থ হওয়ার হারে বিশেষ কোনও বদল হল না শনিবার। এদিন রাতে স্বাস্থ্য ভবন যে বুলেটিন দিয়েছে রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট নতুন আক্রান্ত হয়েছেন তিন হাজার ৩৪০ জন। সেরে উঠেছেন তিন হাজার ১৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা নিয়ে বাংলায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৬২ জনের। যার ফলে রাজ্যে মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল দু’লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৭৪ জন। সেরে উঠেছেন দু’লক্ষ ৩৪ হাজার ৭১২ জন। রাজ্যে কোভিডে মৃতের সংখ্যা পাঁচ হাজার ১৩২ জন। বাংলায় এই মুহূর্তে নভেল করোনাভাইরাস সক্রিয় রয়েছে ২৭ হাজার ১৩০ জনের শরীরে। এক ধাক্কায় সংক্রমণের মাত্রা অনেকটাই কমেছে দুই বর্ধমানে। উত্তরবঙ্গেও সংক্রমণ গত কয়েকদিন ধরে কম। সপ্তাহ দুয়েক আগেও রোজই প্রায় দেখা যাচ্ছিল পশ্চিম বর্ধমানে প্রতিদিন ১০০-র বেশি মানুষ কোভিডে আক্রান্ত হচ্ছিলেন। পূর্ব বর্ধমানেও বেশ কয়েকদিন সংক্রামিতের সংখ্যা ১০০ টপকে যাচ্ছিল। অন্যান্য দিনগুলিতে ছিল ১০০-র কাছাকাছি। শনিবারের বুলেটিনে দেখা যাচ্ছে পশ্চিম বর্ধমানে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৯৩ জন। আর পূর্ব বর্ধমানে ৭০ জন। যদিও কলকাতা উত্তর ২৪ পরগনার সংক্রমণের হারে কোনও পরিবর্তন হয়নি। ৫০০-র গণ্ডি পেরিয়ে এখন ৬০০-র বেশি করে প্রতিদিন নতুন আক্রান্ত হচ্ছেন দুই জেলায়। এদিন কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩১ জন। আর উত্তর ২৪ পরগনায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৬৪১ জন। দুই জেলা মিলিয়ে একদিনে সুস্থ হয়েছেন ১৩০০-র বেশি মানুষ। তা ছাড়া হুগলি, দুই মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ নদিয়ায় ১০০-র বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। হাওড়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২০০-র বেশি বা তার কাছাকাছি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন একদিনে। সূত্র: দ্য ওয়াল ব্যুরো

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *