শিরোনাম
শনি. জানু ৩, ২০২৬

পিরিয়ডসের সময় যে খাবারগুলো অবশ্যই খাওয়া উচিৎ

ঋতুস্রাবের সময় যে কতরকম সমস্যার হতে হয়, তার ইয়ত্তা নেই। মেয়েদের প্রচুর সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। পেট, কোমর ব্যথা থেকে শুরু করে কখনো কখনো গা গুলানো, বমি বমিভাব, মাথা ঘোরা ইত্যাদি সমস্যায় পড়তে হয়। শুধু তাই নয়, ত্বকেরও অনেক ধরনের সমস্যা হয়। পিরিয়ডস্ চলাকালীন ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় এবং মুখে পিম্পল বা ব্রণ দেখা দেয়। এগুলো মন মেজাজ আরো তিরিক্ষি করে দেয়।

প্রত্যেক নারীকে পিরিয়ডের সময় শারীরিক এবং মানসিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তলপেটের অতিরিক্ত ব্যথা, খিটখিটে মেজাজ, মাথা ঘোরানো, অ্যাসিডিটি, মুখের অরুচি, বমি বমি ভাব, অস্বস্তিবোধ ইত্যাদি হয়। আর পিরিয়ডের দিনগুলোতে রক্তক্ষরণের জন্যে শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দেয়। এর জন্য এ সময় বিশেষ কিছু খাবারের প্রয়োজন, যা শরীর মন সুস্থ রাখতে পারে।

এর মধ্যে আছে ফাইবারজাতীয় খাবার। যা অন্ত্রের চলাচল নিয়মিত রাখে। আঁশজাতীয় খাবার দেহের হজমশক্তি উন্নত করে। খেতে হবে শাকসবজি। সবুজ শাকসবজিতে উচ্চমাত্রায় আঁশ আছে। নারীর অবশ্যই নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য খাবারের দিকে মনোযোগী হতে হবে।

জল খেতে হবে বেশি করে। কারণ পিরিয়ডের সময় রক্তের পাশাপাশি শরীর থেকে অনেক জল বেরিয়ে যায়।তাই জল খেতে হবে।

এ সময় কলা খেতে পারেন। খেতে হবে আয়রনযুক্ত খাবার। যেমন মাছ, মাংস, ডিম, কলিজা, কচুশাক, পুঁইশাক, ডাঁটাশাক, ফুলকপির পাতা, ছোলাশাক, ধনেপাতা, তরমুজ ইত্যাদি খেতে হবে।

এছাড়াও ঋতুস্রাবের সময় ত্বক সম্পর্কিত সমস্যাও হয়। পিরিয়ডস্ চলাকালীন অনেক মেয়ে পিম্পল বা ব্রণর সমস্যায় ভোগেন। এক্ষেত্রে, পিম্পলের উপর অ্যালোভেরা জেল লাগান। এটা প্রাকৃতিক, খুবই লাভজনক। অ্যালোভেরার জেল প্রয়োগ করলে জ্বালা, ব্যাথা, ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এছাড়া যাদের ত্বক তৈলাক্ত তাঁরা মুখে মুলতানি মাটির ফেস প্যাক লাগাতে পারেন অনায়াসে। মুলতানি মাটি এমনিও লাগালে ভালো।

এছাড়াও পিরিয়ডের সময় ত্বকে শুষ্কতা দেখা যায়। শুষ্কতার জন্য ঠোঁট ,ত্বক ফাটতে শুরু করে। এক্ষেত্রে, ত্বককে হাইড্রেটেড রাখাটা জরুরি। আর তাই, বেশি করে জল পান করতে হবে। এছাড়া, ডাবের জল এবং ফলের রসও পান করতে পারেন। শুষ্কতা কমাতে ময়েশ্চরাইজার ব্যবহার করতেই পারেন।

ঋতুস্রাবের সময় যেহেতু শরীরে মনে শান্তি থাকেনা, এই যন্ত্রণায় ঘুমও কম হয়। ফলে চোখের নীচে কালি, ফোলা দেখা দেয়। আর সেজন্য ঋতুস্রাবের সময় সঠিক খাদ্য গ্রহণ আর ভালোভাবে ঘুমানোর চেষ্টা করতে হবে। ঠান্ডা জল দিয়ে চোখ, মুখ ধোওয়া উচিত বারবার।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *