‘এই খেলার মধ্য দিয়ে একটি বার্তা দেওয়ার চেষ্টা ছিল, নিয়মিত খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক চর্চা থাকলে তরুণ প্রজন্ম ভয়াবহ নেশা এবং অপরাধে জড়িত হবে না। মানসিকভাবে তারা সুস্থ থাকবে। এই খেলায় জয়–পরাজয় বলে কিছু নেই,’ কথাগুলো বলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর। তিনি ছিলেন তারকাদের পক্ষের দলের অধিনায়ক এবং গোলরক্ষক।
কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে শনিবার বিকেল চারটায় ডিএমপি বিজি প্রেস মাঠে এ খেলা আয়োজন করে তেজগাঁও বিভাগ, ডিএমপি, ঢাকা। প্রীতি ম্যাচে অংশ নেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি ও ডিএমপির পুলিশ। ৪০ মিনিটের এই খেলায় তারকারা দুই গোলের ব্যবধানে পরাজিত হন। তারকাদের পক্ষে খেলায় অংশ নেন সুব্রত, ওমর সানী, মিশা সওদাগর, রুবেল, আলেকজান্ডার বো, জায়েদ খান, জয়সহ ১১ জন।
মিশা সওদাগর বলেন, ‘আমাদের খেলার ঐতিহ্যটা আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। ধর্ম–বর্ণনির্বিশেষে একসঙ্গে খেলায় সম্প্রীতি বাড়ে। এতে তরুণের একে অন্যের সঙ্গে সম্পর্ক বিল্ডআপ হবে। খেলা এবং সাংস্কৃতিক চর্চা নৈতিকতার শিক্ষা দেয়।’ এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘গতকাল ২৯ অক্টোবর আমাদের জাতীয় ক্রিকেট দল হেরেছে। এ নিয়ে অনেকে তাদের বকা দিচ্ছেন। এটা ঠিক না। কারণ তাঁরা জেতার জন্যই খেলেন। ভালো করতে তাঁদের উৎসাহ দেওয়া উচিত।’
মিডফিল্ডার হিসেবে খেলায় অংশ নিয়েছিলেন জায়েদ খান। তিনি বলেন, ‘বিকেল হলেই খেলা, সেই চলটা এখন উঠে গেছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, কিশোরেরা খেলায় মেতে থাকলে দেশে অপরাধ এমনিতেই অনেক কমবে। কারণ তারা খেলা নিয়েই ভাববে। তখন মস্তিষ্ক বিকৃতির সুযোগ কম থাকে।’ হেসে এই অভিনেতা বলেন, ‘আমরা বুঝে ওঠার আগেই দুটি গোলে পিছিয়ে পড়ি। পরে অবশ্য ভালো খেলেছি, কিন্তু গোল দিতে পারিনি।’
শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় খেলায় অংশ নেননি ডিপজল। তিনিসহ মঞ্চে ছিলেন অভিনেত্রী সিমলা, শিরিন শিলা প্রমুখ।

