শিরোনাম
বৃহঃ. জানু ২২, ২০২৬

বাংলাদেশ: এক লাখ ৩০ হাজার টাকায় কারাগারে ‘নারীসঙ্গ’

হলমার্ক অর্থ কেলেঙ্কারি মামলার অন্যতম আসামি তুষার আহমেদকে কাশিমপুর কেন্দ্রী কারাগারে নারী সঙ্গের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয় এক লাখ ৩০ হাজার টাকা ঘুষের বিনিময়ে।

এরমধ্যে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এর জেলার নুর মোহাম্মদ ১ লাখ টাকা, ডেপুটি জেলার মো. গোলাম সাকলাইন ২৫ হাজার ও অন্যান্য সার্জেন্ট ইন্সপেক্টর, গেট সহকারী প্রধান কারারক্ষী ৫ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন।

কারাগারে বিধিবহির্ভূত নারীসঙ্গের বিষয়টি আলোচনায় আসলে গত ১৪ জানয়ারি কারা মহাপরিদর্শকের কাছে দেওয়া এক প্রতিবেদনে এসব কথা উল্লেখ করেন সিনিয়র জেল সুপার রত্মা রায়। তবে এ ঘটনায় নিজের দায় নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে, সিসিটিভি ফুটেজে সম্পৃক্ততার বিষয়টি দেখা যাওয়ায় রত্না রায় ও জেলার নুর মোহাম্মদকে প্রত্যাহার করে সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে রত্না রায় ওই দিনের ঘটনার জন্য জেলার নূর মোহাম্মদ মৃধাকে প্রধানত দায়ী করেছেন। তার সঙ্গে পুরো ঘটনায় ডেপুটি জেলার মো. সাকলায়েন জড়িত ছিলেন। আর ঘটনাটি সম্পূর্ণভাবে তার অগোচরে ও গোপনে হয়েছে।

প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, জেলারই ওই নারীসহ সংশ্লিষ্টদের কারাগারে প্রবেশের অনুমতি দেন এবং ডেপুটি জেলার তাদের রিসিভ করেন। জেলারের সংশ্লিষ্টতা ছাড়া একজন বিচারাধীন আসামির সঙ্গে কারও সাক্ষাতের জন্য কারাগারের অফিসে আসা সম্ভব নয়। জেলারের সিনিয়র জেল সুপারকে অবহিত করার কথা, কিন্তু জেলার তা করেননি।

গত ৬ জানুয়ারি দুপুরে কাশিমপুর কারাগারের ভেতরে হলমার্কের জিএম তুষার আহমেদের সঙ্গে একজন নারীর একান্ত সাক্ষাতের চিত্র কারাগারের সিসিটিভিতে ধরা পড়ে। এ সময় সেখানে ডেপুটি জেলার মোহাম্মদ সাকলাইনসহ বাকি দুজনকে দেখা যায়।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে সংবাদে কারাগারে থাকা হলমার্ক গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমদকে কারা কর্মকর্তাদের কক্ষেই নারীসঙ্গের ব্যবস্থা করে দেয়ার সিসিটিভি ফুটেজসহ সংবাদ সম্প্রচার করা হয়। ঘটনাটি চলতি মাসের ৬ তারিখের। ওই ঘটনায় গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও কারা অধিদফতর পৃথক কমিটি গঠন করে। জানা গেছে, কমিটির সুপারিশেই তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *