শিলং সংবাদ দাতা: স্থানীয় বাসিন্দা ও অসম পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষে সোমবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল মেঘালয়ের রি-ভোই জেলার কাইলিংয়ের কছে লোংখুলি গ্রাম। মেঘালয় ইলেকট্রিসিটি কর্পোরেশন লিমিটেডের তরফে এলকায় বিদ্যুতের খুঁটি বসানোর কাজ চলছিল । অভিযোগ, অসম পুলিশ সেই খুঁটি উপড়ে ফেলার চেষ্টা করে।
ঘটনার জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পৌঁছয় অসম পুলিশের বিশাল বাহিনী । তার পরেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। মেঘালয়ের মওহাটি অঞ্চলের স্থানীয় ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিলের সদস্য চার্লস মার্গনারের দাবি, ” বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে ফেলার সময় আমি অসম পুলিশকে বাধা দিই । সে সময় তারা আমাকে টেনে সরিয়ে দেয় ও ধাক্কা মারে। ” তবে এই ঘটনার জেরে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর নেই জেলা প্রশাসনের তরফে।
প্রসঙ্গত কিছু দিন আগেই শিলঙে অসম ও মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠক হয়। আলোচ্য বিষয়গুলির মধ্যে অন্যতম ছিল সীমানা সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা। উত্তরপূর্বের এই দুই রাজ্যের মধ্যে সীমানা নিয়ে বিবাদ বহু পুরনো । সীমানা বরাবর মোট ১২ টি এলাকাকে দুই রাজ্যই দাবি করে তাদের নিজের বলে।
উত্তর পূর্ব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে শনিবার বৈঠকে বসেন অমিত শাহ। শিলঙের সেই বৈঠকে আলোচ্য বিষয়গুলির মধ্যে ছিল আইনশৃঙ্খলা এবং সীমানা সংক্রান্ত দ্বন্দ্বও। কিন্তু তার পরেও উত্তপ্ত অসম-মিজোরাম ও অসম-মেঘালয় সীমানা। বিবাদের জেরে হিংসায় সোমবারই অসম মিজোরাম সীমানায় নিহত হয়েছেন অসম পুলিশের ৬ কর্মী। আহত ৫০ জন।

