ক্রীড়া ডেস্ক: কয়েক সপ্তাহ আগে আইসিসির গেম ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম বুলবুল বাংলাদেশের ক্রিকেটের সাথে সংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারকদের নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ক্রিকেটারদের ব্যর্থতার পেছনে নীতি নির্ধারকদের দায় দেখছেন সাবেক ক্রিকেটার বুলবুল। বিশেষ করে টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজনের সমালোচনা করেছিলেন প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান।
সোমবার ক্ষুব্ধ কণ্ঠে সংবাদ মাধ্যমকে খালেদ মাহমুদ সুজন বলেছেন, ‘আমার যোগ্যতা… আমি বিসিবিতে আছি, আমি তো নির্বাচিত পরিচালক। ওখান থেকে আমাকে টিম ডিরেক্টর করা হয়েছে। বোর্ডের প্রেসিডেন্ট আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন, উনি কেন আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন— বলতে পারব না। এটা তো আমি চেয়ে নেইনি। আমি তো বাচ্চা না। দায়িত্বের জন্য কান্নাকাটি করবো।’
এরপরই বুলবুলের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সুজন, ‘উনার (বুলবুল) কী যোগ্যতা আছে, আমার ব্যাপারে কথা বলার, সেটাই আমি জানি না আসলে। উনার যোগ্যতা নিয়ে আমার প্রশ্ন আছে। খেলা ছাড়ার পর ন্যূনতম বেতনে সাড়ে ৪ বছর বিসিবিতে কাজ করেছি। আপনাদের মাধ্যমেই সবসময় শুনি, উনি বাংলাদেশে কাজ করতে চান। আমি নিজেই ওনাকে অফার দিয়েছি বাংলাদেশে কাজ করতে। উনি কোনোদিনই আমাকে জানাননি যে কাজ করতে চান। উনি প্রতিবারই এরকম হাইপ তোলেন।’
সুজন বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ানের কাজের অভিজ্ঞতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন, ‘আমাকে বলেন, উনি কোন আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়ের সঙ্গে কী কাজ করেছেন? উনি আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়দের সঙ্গে একবারই কাজ করেছেন, যেবার আবাহনীর সঙ্গে কাজ করেছেন। এছাড়া উনি চীন, ব্যাংকক, ফিলিপাইন অনূর্ধ্ব-১৩, অনূর্ধ্ব-১৫ ছেলেমেয়েদের সঙ্গে কাজ করেছেন। ওখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার কোথায় পেলেন। সুতরাং ওনার যোগ্যতাটা কোথায়? আমি অনেক আন্তর্জাতিক ম্যাচ করেছি। বাংলাদেশের হেড কোচও ছিলাম।’
তীব্র সমালোচনা শেষে সুজন আর কোন সমালোচনা করতে চান না জানিয়ে বলেন, ‘থাক আমি আর কিছু নিয়ে বলতে চাই না। একটা মানুষকে নিয়ে বলার আগে, তখন নিজের যোগ্যতা নিয়েও চিন্তা করা উচিত। কে ভালো কে খারাপ এটা জাস্টিফাই করার রাইট তার যেমন নাই, আমারও নাই। তাই এটা নিয়ে আমি বলতেও চাই না। উনি বড়, উনাকে সেই শ্রদ্ধাটা আমি সবসময় করি, করবো। কিন্তু উনি যেভাবে কথা বলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে, উনি আসুক, আমাদের সঙ্গে বসুক… ভালো কোনও পরিকল্পনা থাকলে আমাদের দিক।’

