শিলচর (অসম) : বৃদ্ধ মা-বাবার রক্ষণাবেক্ষণে সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্বভার ও আইনি বিধির ওপর আয়োজিত কাছাড় ডিএলএসএ-র ভার্চুয়াল সভায় ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটায় ওয়েবেনারের মাধ্যমে ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করে কাছাড় জেলা আইন পরিষেবা কর্তৃপক্ষ (ডিএলএসএ)।
প্রথমে সভার সূচনা করেন কাছাড়ের মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট রঞ্জন ব্রহ্ম। সভার উদ্দেশ্য ও তাত্পর্য ব্যাখ্যা করেন জেলা আইন পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সচিব তথা বরিষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ড. পার্থসারথি ভট্টাচার্য। “অসম এমপ্লয়িজ পেরেন্টস্ রেসপনসিবিলিটি অ্যান্ড নর্মস্ ফর অ্যাকাউন্টেবিলিটি অ্যান্ড মনিটরিং অ্যক্ট, ২০১৭” এবং “মেনটেনেন্স অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার অব পেরেন্টস অ্যান্ড সিনিওয়র সিটিজেন অ্যাক্ট”-এর বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তর আলোচনা করা হয় সভায়। রিসোর্স পার্সন হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন দুই বরিষ্ঠ আইনজীবী পঞ্চমী নাথ ও টিংকু বৈদ্য। ওই আইন দুটির নিরিখে বৃদ্ধ মা-বাবার প্রতি সেবা শুশ্রুষা ও রক্ষণাবেক্ষণে ছেলেমেয়েদের দায়িত্বভার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন রিসোর্স পার্সনরা।
সরকারি কর্মচারীরা বৃদ্ধ মা-বাবাকে অবহেলা করে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানোর চক্রান্ত করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আইনি ব্যবস্থা রয়েছে। এমন স্পষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে বেতনের নির্ধারিত পরিমাণের অর্থ সরাসরি বয়স্ক মা-বাবার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর পাশাপাশি আইনি বিধিনিয়মের মারপ্যাঁচে পড়তে হবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের। তাই এই আইন দুটোর বিভিন্ন দিক সমূহের ওপর প্রতিটি অঞ্চলে ব্যাপক সচেতনতা গড়ে তোলার জন্য সভায় গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
প্রশ্নত্তোর পর্বে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন পূজা দাস, রজতকান্তি রায়, মিঠুন রায়, সাদিক আহমেদ সহ অন্যরা। এদিনের সভায় জেলা আইন পরিষেবা কর্তৃপক্ষের কর্মচারী, আইনজীবী, প্যারা লিগ্যাল ভলান্টিয়ার, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। বিশু / এসকেডি / অরবিন্দ

