শিরোনাম
মঙ্গল. মার্চ ১০, ২০২৬

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরি, ৬ পুলিশ কারাগারে

বাবা মুক্তিযোদ্ধা না হলেও ভুয়া সনদ বানিয়ে চাকরি নেয়া ৬ পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে রংপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দেলোয়ার হোসেন এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট ইন্সপেক্টর নাজমুল কাদের।

এ দিন আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর অদেশ দেন। আসামিরা হলেন- মাহাবুব আলম, নুরুন্নবী, মোস্তাফিজুর, মনোয়ার, মাহাবুব ও শফিউজ্জামান। তারা সবাই কনস্টেবল পদে চাকরি করতেন।

এর আগে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট দাখিল করে পুলিশের এসআই ও পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি নেয়ার ঘটনায় প্রতারণা ও জালিয়াতির দুটি মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, রংপুর সদর উপজেলার খারুয়াবান্ধা এলাকার আশিকুর রহমানের ছেলে মাহবুব আলম, সদর উপজেলার মহিষপুর হাজিপাড়া গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে মোস্তাফিজার রহমান, সদর উপজেলার পালিচড়া গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে মাহবুব আলম, সদর উপজেলার খারুয়াবান্ধা এলাকার আজহারুল ইসলামের ছেলে শফিউজ্জামান,পীরগঞ্জ উপজেলার প্রথমডাঙ্গা গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে নুরন্নবী, তারাগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর নেকিরহাট এলাকার নবিউর রহমানের ছেলে মনোয়ার হোসেন নিজেদের মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয় দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পুলিশে ভর্তি হয়। পরবর্তী সময়ে পুলিশ তাদের দাখিল করা মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট তদন্ত করে ভুয়া হিসেবে দেখতে পায়।

রংপুর পুলিশ লাইনের রিজার্ভ ইন্সপেক্টর আব্দুস সালাম বাদী হয়ে ২০১৯ সালে কোতয়ালী থানায় এই ৬ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগ এনে দুটি মামলা দায়ের করেন। মামলার জিআর নম্বর ১২৩/১৯ ও জিআর ১২৪/১৯। পরে তদন্ত শেষে ৬ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখির করেন ইন্সপেক্টর আব্দুস সালাম।

কোর্ট ইন্সপেক্টর নাজমুল কাদের বলেন, মামলা দায়েরের পর দীর্ঘদিন ধরে আসামিরা পলাতক ছিলো। আদালতে হাজির না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। অবশেষে বৃহস্পতিবার ৬ আসামি রংপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করে। পরে বিচারক তাদের জামিন না মজ্ঞুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *