অসমের দরং জেলায় ‘অবৈধ দখলদার’ উচ্ছেদ ঘিরে পুলিশ ও জনতার খণ্ডযুদ্ধে তোলপাড় গোটা দেশ। অসম পুলিশের পাশে দাঁড়ালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তাঁর দাবি, ওই এলাকায় ১৯৮৩ সাল থেকে খুনোখুনি লেগে রয়েছে। ১০ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারী পুলিশকে লাঠি-সোটা নিয়ে ঘিরে ফেলেছিল। তাদের হামলার জবাব দেয় পুলিশ।
উচ্ছেদ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, রাতারাতি কাউকে উচ্ছেদ করা হয়নি। ৪ মাস ধরে আলোচনা চলছিল। কারা ওদের উস্কানি দিয়েছে। লাঠি-সোটা নিয়ে হামলা করেছে ওরা। ৩০ সেকেন্ডের ভিডিয়ো দেখে বিবেচনা করবেন না। পুলিশের কেউ জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেব। কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা আমার সঙ্গে দেখা করেছেন। ভূমিহারাদের জমি দিতে সম্মত হয়েছি। ২৭ হাজার একর জমি ঠিকঠাক কাজে ব্যবহার করা উচিত। আর কীভাবে ২-৩ হাজার লোক এই পরিমাণ জমি দখল করে থাকতে পারে! ওখানে মন্দিরের জমিও দখল করেছে ওরা। আমি নিজে গিয়ে দেখেছি।
বৃহস্পতিবার অসমের দরং জেলার ঢোলপুর ৩ নম্বর এলাকায় ৮৫০০ বিঘা সরকারি জমি দখলদার মুক্ত করতে নামে অসম পুলিস। পুলিসকে দেখে ধারালো অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করে স্থানীয়রা। তার পাল্টা কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ছোড়ে পুলিস। একটি ভিডিয়োয় ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্য়মে। তাতে দেখা যাচ্ছে, মাটিতে পড়ে থাকা এক ব্যক্তির উপর লাফাচ্ছেন এক চিত্রগ্রাহক। লাঠি দিয়ে মারছেন পুলিশ কর্মীরা। ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন,”১১ জন পুলিস কর্মী আহত হয়েছেন। ক্যামেরাম্যান কীভাবে সেখানে এলেন তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

