শিরোনাম
বৃহঃ. জানু ২২, ২০২৬

মিজোরামে পার্বত্য চট্টগ্রামের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আস্তানা নিয়ে উদ্বেগ বিজিবির

ভারতের মিজোরাম রাজ্যের অভ্যন্তরে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সশস্ত্র আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আস্তানা থাকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষা বাহিনী-বিজিবি।

ভারতের গুয়াহাটিতে দু’দেশের সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর ডিজি পর্যায়ের ৫১তম সীমান্ত সম্মেলনে বাংলাদেশের এই উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন বিজিবি মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম।

সম্মেলন শেষে শুক্রবার বিজিবির পক্ষ থেকে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিজিবি মহাপরিচালক ভারতের মিজোরাম রাজ্যের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সশস্ত্র আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আস্তানার উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং এই আস্তানাগুলো ধ্বংস করার জন্য অনুরোধ করেন। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারত সরকারের ‘জিরো টলারেন্স নীতির’ কথা উল্লেখ করে বিএসএফ মহাপরিচালক ওইসব আস্তানার (যদি থাকে) বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।

গত ২২ ডিসেম্বর থেকে এই সীমান্ত সম্মেলন শুরু হয়েছে। শনিবার শেষ হবে। বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিসহ ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশ নেয়। ওই সম্মেলনে বিএসএফ মহাপরিচালক রাকেশ আস্থানার নেতৃত্বে ভারতের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিসহ ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ। একইসঙ্গে সীমান্তে যেন কোনো ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড না ঘটে সেটি ঠেকাতে প্রয়োজনে যৌথ অভিযান পরিচালনা করতেও সম্মত হয়েছে দুই বাহিনী।

বৈঠকে উভয়পক্ষই আগে জানানো ছাড়া সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কোনো উন্নয়নমূলক কাজ না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। উভয়পক্ষই বন্ধ থাকা অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজ যত দ্রুত সম্ভব সমাধানের ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। এছাড়াও বেশকিছু বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করেছে বিজিবি-বিএসএফ।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *