ভারতের সেনাবাহিনী প্রধান এম এম নারাভানে ও পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রীংলার ৪-৫ অক্টোবর মিয়ানমার সফরের সময়ে রোহিঙ্গা বিষয়টি আলোচনায় আসাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও খুব বেশি আশাবাদীদ নয় বাংলাদেশ। ঢাকা, দিল্লি ও ইয়াঙ্গুনের বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, রোহিঙ্গা এ বিষয়ে আলোচনা করলেও ভারতের জাতীয় স্বার্থ ও আভ্যন্তরীণ রাজনীতির কারণে চাপ প্রয়োগের কোনও আগ্রহ নেই তাদের।
ভারতের কর্মকর্তারা সফরের সময়ে মিয়ানমারের সিনিয়র জেনারেল মিং আং হ্লাইং, স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচিসহ বিভিন্নজনের সঙ্গে বৈঠক করেন।
এ বিষয়ে একটি সূত্র জানায়, ‘দুইপক্ষের মধ্যে বাস্তুচ্যুত মানুষদের বিষয়টি আলোচনা হয়েছে বলে ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হলেও মিয়ানমারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও কিছু উল্লেখ করা হয়নি।’
তিনি বলেন, ভারতের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে যেভাবে রোহিঙ্গা বিষয়টি এসেছে সেটি দেখে মনে হয় অন্য আরও ১০টি সাধারণ ইস্যুর মতো এটি আলোচিত হয়েছে।
আরেকটি সূত্র জানায়, মিয়ানমারে বিভিন্ন খাতে ও প্রকল্পে ভারতের অনেক স্বার্থ জড়িত আছে। ফলে মিয়ানমারের সঙ্গে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এমন বিষয় নিয়ে মন কষাকষি করবে না দিল্লি।
এছাড়া ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি কিছুটা সংখ্যালঘু বিরোধী এবং সে কারণে মুসলিম রোহিঙ্গাদের জন্য ভারত চাপ দেবে এমন মনে হয় না বলে তিনি জানান।
প্রসঙ্গত, ভারতীয় কর্মকর্তাদের সফর শেষে ভারত থেকে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় সেখানে বলা হয় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য উভয় দেশ একে অপরকে গুরুত্ব দেয় এবং এই সফর তার প্রতিফলন।

