শিরোনাম
শুক্র. জানু ৩০, ২০২৬

রাজের থেকেই ইউভান শিখবে নারীকে কী ভাবে সম্মান করতে হয়, নারী দিবস প্রসঙ্গে শুভশ্রী

আমি নিজে খুব প্রগতিশীল পরিবারে বড় হয়েছি। আমার মা কোনও দিন বলেননি বিয়ে করতে হবে। বলতেন নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে।

শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়: চারদিকে নারী দিবসের তোড়জোড়। ভাবতে ভালই লাগে। কিন্তু সব দিক কি সমান ভাবে দেখা গেল?

আজও নয়।

যে দিন রাজকে বিয়ে করে শ্বশুরবাড়ি এলাম, সে দিন থেকেই আমার শাশুড়ি বলে দিয়েছিলেন, ‘আমার ছেলে রাজ যখন রান্না ঘরে ঢোকে না, তুমিও কোনও দিন ঢুকবে না’।

উনি পরিবারে সমতা আনলেন।

অন্য দিকে ২০২২-এ দেখছি বাল্য বিবাহের সংখ্যা কমছে না। শুনতে তো পাই মেয়েদের পড়াশোনা নয়, কোথায় বিয়ে হল? সেটাই আসল কথা। খবরে সারা ক্ষণ গার্হস্থ্য হিংসের ছবি। একটা টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে পরিসংখ্যান দেখেছিলাম। সেখানে বলা হয়েছিল, ৯৬ শতাংশ অপরাধ ছেলেরা করে। এই পরিসংখ্যান নিয়ে এক জন মহিলা চমৎকার লেখা লিখেছিলেন। তিনি দেখিয়েছিলেন পিতৃতন্ত্র কী ভাবে পুরুষদেও ওপর নানা চাপ তৈরি করে। ছেলেকে যেমন নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে সংসারের দায়িত্ব নিতেই হবে। ছেলে হচ্ছে পরিবারে সবচেয়ে শক্তিশালী মুখ। সে রোজগার করে সংসার চালায়। এই শক্তি কোথায় দেখাবে তারা? বাড়িতে মেয়েদের ওপরেই তখন সেই শক্তির প্রকাশ হয়।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *