শিরোনাম
শনি. জানু ৩, ২০২৬

রিজার্ভ থেকে ঋণ নেয়া যায় না, আবার আইনেও নেই বলেছেন অর্থনীতিবিদরা

অর্থনীতিবিদ ড.আহসান এইচ মনসুর বলেন, আমদানির ব্যয় মিটানো ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধে রিজার্ভের অর্থ ব্যবহার করা যায়। দেশিয় কোন প্রকল্পে এই অর্থ ব্যবহার করা যায় না। সরকার আভ্যন্তরীণ সমস্ত লেনদেন টাকায় করে। বিদেশি যে অর্থকে রির্জাভ বলা হচ্ছে তা টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর বিপরীতে আবার টাকাই ছাড়তে হবে। তাতে মূল্যস্ফীতি চরম আকার ধারণ করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর নাম প্রকাশে অপারগতা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মূদ্রা লেনদেনের যে আইন রয়েছে তাতে রিজার্ভের অর্থ আভ্যন্তরীণখাতে ব্যবহারের নিষেধ রয়েছে। সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্প নিতে পারে। অর্থমন্ত্রণালয় ট্রেজারি বন্ডের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা নিতে পারে।ভারতে রিজার্ভতো প্রায় সাড়ে ৫০০ বিলিয়ন। তারা এরকম করার চিন্তাও করেনা। সরকার যদি এরকম চিন্তা করে তবে আইন পরিবর্তন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তহবিলকে জাতীয় ট্রেজারিতে স্থানান্তর করে করতে পারে।

অর্থনীতিবিদ ও সাবেক এনবিআর সদস্য আমিনুর রহমান বলেন, সরকার আর্থিক সংকটে রয়েছে। রাজস্ব আয় তেমন নেই। বৈদেশিক ঋণেও তেমন সাড়া পাচ্ছে না। এ অবস্থায় অর্থসংস্থানের জন্য হয়তো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে আরো প্যাকেজের কথা ভাবছে সরকার।৩ মাসের বৈদেশিক মূদ্রার রিজার্ভ রাখতে হয়। বাকি রিজার্ভ দিয়ে হয়তো কোন কিছু আমদানি করতে চাইছে সরকার।আস

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *