শিরোনাম
সোম. ফেব্রু ১৬, ২০২৬

লকডাউন মানে যেন ছুটির আমেজ, ভয়হীন শতাধিক মানুষের জমায়েত মাছ ধরতে!

হাইলাইটস
-নবদ্বীপের বালির পুকুরের দৃশ্য দেখে কে বলবে, রাজ্যে লকডাউন চলছে!
-লকডাউনের ‘ছুটিতে’ দেদার চলল মাছ ধরা।
-পুলিশের অনুরোধে কয়েকজন বাড়ি ফিরে গেলেও বেশিরভাগই অবশ্য মাছ ধরার নেশাতে বুঁদ হয়ে রইলেন।

ডিজিটাল ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার রাজ্যজুড়ে চলছে সার্বিক লকডাউন। এই দুই কাজের দিনে কলকাতা ও বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে কোনও যাত্রীবাহী উড়ান চলাচল করছে না। চলছে না বিশেষ ট্রেনও। পথে নামছে না সরকারি বেসরকারি বাস ও মিনিবাস, ট্যাক্সি। সমস্ত অফিস কারখানা বন্ধ। শুধু অনুমতি রয়েছে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে। অথচ নবদ্বীপের বালির পুকুরের দৃশ্য দেখে কে বলবে, রাজ্যে লকডাউন চলছে!

শুক্রবার দিনভর সেখানে শতাধিক মানুষের জমায়েত দেখা গেল। কেন? কারণ মাছ শিকার। লকডাউনের ‘ছুটিতে’ দেদার চলল মাছ ধরা। এমনকী খবর পেয়ে নবদ্বীপ থানার পুলিশ এলেও তাতে বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ ছিল না উপস্থিত মানুষজনের। পুলিশের অনুরোধে কয়েকজন বাড়ি ফিরে গেলেও বেশিরভাগই অবশ্য মাছ ধরার নেশাতে বুঁদ হয়ে রইলেন।

স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, স্থানীয় প্রশাসনের লকডাউন কার্যকরে ব্যর্থতা নিয়ে। পুলিশ গিয়েও কেন প্রত্যেককে বাড়ি পাঠাতে পারল না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। পুলিশ কেন কঠোর অবস্থান নিল না, তাতে অবাক অনেকেই। উল্লেখ্য, নদিয়ার নবদ্বীপে যখন এই দৃশ্য, তখন ওই জেলারই কৃষ্ণনগর, রানাঘাটের মতো জায়গায় চলছে টানা লকডাউন। সেখানে পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান নিতেই দেখা যাচ্ছে। লকডাউন অমান্য করার অভিযোগে কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছে।

অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, শুরুর দিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলেও ক্রমেই যখন নদীয়ায় করোনা সংক্রমণ হুহু করে বাড়ছে, তখন কেন সাধারণ মানুষও সামান্য দায়িত্বজ্ঞানটুকু দেখাতে পারছেন না। উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে নদীয়ায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২১৮১, জেলা কনটেইনমেন্ট জোন ৫৩৭। তা সত্ত্বেও সতর্ক হচ্ছেন না মানুষ, এটাই দুশ্চিন্তার ভাঁজ ফেলছে বিশেষজ্ঞদের কপালে। সূত্র: এই সময়

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *