বিশ্বজুড়ে সাড়া পড়েছে ফ্রান্সের পণ্য বয়কট আন্দোলনে। লাগাতার বয়কট করার ফলে ফ্রান্সের শেয়ার মার্কেটের পতন ঘটেছে উল্লেখযোগ্য হারে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় ঈশ্বরের বার্তাবাহক মুহাম্মদের কার্টুন বানানোকে কেন্দ্র করে। যেখানে প্যারিসের একজন শিক্ষক বাকস্বাধীনতার উদাহরণ দিতে গিয়ে ঈশ্বরের বার্তাবাহক মুহাম্মদের কার্টুন প্রকাশ করেন। একদিন পরেই সে শিক্ষকের মুন্ডু প্যারিসের রাস্তায় পাওয়া যায়। এরপর ফ্রান্সে শোরগোল পড়ে যায়। ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী ইমানুয়েল ম্যাক্রন এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন ঠিক একই সাথে বাকস্বাধীনতাকে হাতিয়ার করে তিনি কার্টুন প্রকাশের পক্ষে যুক্তি খাড়া করার চেষ্টা করেন। একই সাথে তিনি ইসলাম এবং মৌলবাদ মিলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। এরপরেই মুসলিম বিশ্বে একযোগে ফ্রান্সের পণ্য বয়কট শুরু হয়।
ফলস্বরূপ ইতিমধ্যেই তাদের শেয়ার মার্কেটে ধস নেমেছে। মাত্র কয়েকদিনেই ফ্রান্সের শেয়ার মার্কেটে বড় ধরনের দরপতনের ঘটনা ঘটেছে। ইন্ডেক্স এখন লালে লাল। কয়েকদিনে তাদের লোকসান হয়েছে প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার। এভাবে চলতে থাকলে কয়েকদিনের মধ্যেই ফ্রান্সের অর্থনীতি তলানিতে গিয়ে ঠেকবে বলে মনে করা হচ্ছে।
শোনা যাচ্ছে, এখনই ফ্রান্স মধ্যপ্রাচ্যের কর্তাদের পায়ে পড়ার চেষ্টা করছে। মধ্যপ্রাচ্য হচ্ছে বিশ্বের নাম্বার ওয়ান ভোক্তা। তারা বিশ্বের সব সেরা মানের পণ্যের প্রধান গ্রাহক। সেই দেশগুলো যদি বিশেষ কোনো রাষ্ট্রের পণ্যকে বয়কট করে তাহলে সেই দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়বেই৷ সেই সাথে বয়কট আন্দোলনে অন্যান্য দেশ যদি যোগ দেয় তাহলে এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ‘ভাঙা থালা’ হাতে উঠবে।

