শিরোনাম
শুক্র. ফেব্রু ২০, ২০২৬

সবগুলো গোলই সিঙ্গাপুরের, তবুও জিতলো বাংলাদেশ

স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট: এএফসি এশিয়ান কাপ অনূর্ধ্ব-১৭ বাছাইপর্বে অন্যরকম এক ম্যাচের সাক্ষী হলো বাংলাদেশ।

আজ কমলাপুরে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর।

ম্যাচে ২-১ গোলে জিতেছে পল স্মলির দল। তবে তিনটি গোলই করেছে সিঙ্গাপুর। তাদের দুই অর্ধে দুটি আত্মঘাতী গোলে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে বসে বাংলাদেশ। তবে গোলের দেখা মিলছিল না। ম্যাচের দশ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় বাংলাদেশ। বক্সের বাইরে থেকে সতীর্থের উদ্দেশে ক্রস দেন মোহাম্মদ নাজীম উদ্দিন। সেই ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে আত্মঘাতী গোল করে বসেন ডিফেন্ডার ব্রায়ডেন গোহ।

এরপর একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকে বাংলাদেশ। তবে ফিনিশিংয়ের অভাবে গোলের দেখা মিলছিল না। বাংলাদেশের আক্রমণ সামলে খুব একটা আক্রমণে যেতে পারছিল না সিঙ্গাপুর। ম্যাচের ২৮তম মিনিটে মুহাম্মদ রাসুল রামলির ক্রস থেকে ডি-বক্সের বাইরে থেকে উঁচু করে ডান পায়ের কোনাকুনি শটে বল জালে জড়ান মুহাম্মদ সায়জোয়ান। প্রথমার্ধে সমতায় থেকে বিরতীতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে ধার বাড়ায় বাংলাদেশ। প্রায় পুরোটা সময়ই খেলা হয় সিঙ্গাপুরের সীমানায়। তবে অগোছালো আক্রমণে গোলের দেখা মিলছিল না। ম্যাচে অতিরিক্ত আট মিনিট দেওয়া হয়। অতিরিক্ত সময়েও খেলা নিশ্চিত ড্র’য়ের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছিল। তবে শেষ মিনিটে আবারও সিঙ্গাপুরের আত্মঘাতী গোলে কপাল খোলে স্বাগতিকদের।

যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে বক্সে লম্বা থ্রো ইন করেন মো. রাতুল। তার থ্রো ইন ক্লিয়ার করতে লাফ দিয়ে হেড করেন সিঙ্গাপুরের জন টেন। তবে তার হেড গোলকিপারের হাতে যায়। বল সামলাতে পারেননি গোলরক্ষক ইসাক লি। এই গোলেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

এমন জয়ে আনন্দ থাকলেও, আত্মতৃপ্তি ঠিক কতটা পাওয়া যায় তা বলা মুশকিল। তবে আগামী ম্যাচে দল নিজেদের আরও ভালোভাবে মেলে ধরতে পারবে, তেমন প্রত্যাশাই জানিয়েছেন দলের কোচ পল স্মলি।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *