গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে হুট করে জানা যায় সিনেমা হলের জন্য সরকারের তরফ থেকে তহবিল আসছে। ৫ অক্টোবর তথ্যমন্ত্রী জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ তহবিল গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। যার পরিমাণ ১ হাজার কোটি টাকা। অবশেষে তহবিলটি গঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তহবিল গঠনের কথা জানায়।
প্রজ্ঞাপনে জানা হয়, এ তহবিলের নাম হবে ‘সিনেমা হল মালিকদের অনুকূলে মেয়াদী ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রধানের জন্য পুনঃঅর্থায়ন স্কীম’। এ অর্থ বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া হবে। ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।
তহবিলের অর্থ ব্যয় করা যাবে, বিদ্যমান সিনেমা হল সংস্কার, আধুনিকায়ন ও এতদসংশ্লিষ্ট মেশিনারি/যন্ত্রাংশ/প্রযুক্তি ক্রয় এবং নতুন সিনেমা হল নির্মাণের জন্য। বিভিন্ন শর্ত পালন সাপেক্ষে বিভিন্ন শপিং কমপ্লেক্সে বিদ্যমান সিনেমা হলসহ নতুনতাবে নির্মিতব্য সিনেমা হলগুলোও এ ঋণ সুবিধা প্রাপ্য হবে।
১ হাজার কোটি টাকার মধ্যে প্রথম পর্যায়ে দেওয়া হবে ৫০০ কোটি টাকা। এ টাকা সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত হবার পর দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫০০ কোটি বিতরণযোগ্য হবে বলে জানানো হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
কোনোভাবে প্রতিটি সিনেমা হলের বিপরীতে ৫ কোটি টাকার অধিক ঋণ পাওয়া যাবে না। মেট্রোপলিটন এলাকায় সুদের হার হবে ৫ শতাংশ এবং এর বাইরের শহরে এর পরিমাণ হবে সাড়ে ৪ শতাংশ।
ঋণের পরিশোধের মেয়াদ ৮ বছর। গ্রহিতা প্রথম এক বছর গ্রেড পরিয়ড হিসেবে পাবেন অর্থ্যাৎ প্রথম বছর তাকে কোন অর্থ পরিশোধ করতে হবে না। বাকি ৭ বছরে সুদসহ ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। এ তহবিল থেকে ঋণ সুবিধার জন্য আবেদন করা যাবে আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত।
সিনেমা হল সংস্কার, আধুনিকায়ন ও এতদসংশ্লিষ্ট মেশিনারি/যন্ত্রাংশ/প্রযুক্তি ক্রয় এবং নতুন সিনেমা হল নির্মাণ ব্যতীত অন্য কোন আতে ব্যবহৃত হলে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সে পরিমাণ অর্থের উপর নির্ধারিত সুদ/মুনাফা হারের অতিরিক্ত ২শতাংশ অর্থ সুদ/মুনাফাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কাছ থেকে এককালীন আদায় করা হবে।

