গত ২৮ জানুয়ারি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ কার্যমেয়াদের নির্বাচন। এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কাঞ্চন-নিপুণ ও মিশা-জায়েদ প্যানেল। ফলাফলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি কেউই। সভাপতি হয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন জায়েদ খান। নির্বাচনের দিন থেকেই নিপুণ জায়েদ খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আসছিলেন অনিয়মের। এ নিয়ে তিনি সংবাদ সম্মেলনও করেছেন।
নিপুণ-জায়েদের বিরোধ এখন চরমে। সেই বিরোধ আরও স্পষ্ট হয়ে গেল। ৩০ জানুয়ারি রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের বাসায় যান নির্বাচনে জয়ী শিল্পীদের একাংশ। যার নেতৃত্বে ছিলেন জায়েদ খান। তবে সেখানে ছিলেন না নবনির্বাচিত সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চনসহ তাদের প্যানেলের কেউ। বিষয়টি নিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী জায়েদ খান জানান, তারা নির্বাচন পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাতে গিয়েছিলেন।
তবে প্রশ্ন উঠেছে সহসভাপতি পদে জয়ী মনোয়ার হোসেন ডিপজলের এক স্ট্যাটাসে। তিনি একটি ছবি শেয়ার করে ফেসবুকে ক্যাপশন লেখেন, ‘নবনির্বাচিত শিল্পী সমিতির সদস্যবৃন্দ মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সাহেবের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ।’এতে তাদের বিভেদটিই যেন ফুটে উঠলো। কারণ, সেখানে উল্লেখ করা হয় ‘নবনির্বাচিত শিল্পী সমিতি’ বাক্যটি। অথচ নেই সভাপতিসহ বাকি ১০ জন। তাহলে কি ইলিয়াস কাঞ্চন প্যানেলের বিজয়ীদের পাশ কাটিয়ে এমন সাক্ষাৎ- জানতে চাওয়া হয়েছিল নন্দিত এই নায়কের কাছে।
ইলিয়াস কাঞ্চন জানান, বিষয়টি তিনি অবগত নন। তার ভাষ্য, ‘নবনির্বাচিতরা এখনো সমিতির শপথগ্রহণ করিনি। আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বও বুঝে নিইনি। তাই নবনির্বাচিত সমিতি বলা ঠিক হবে না। ওরা ওদের (প্যানেল) মতো সাক্ষাৎ করেছে হয়তো। এখানে আমার বলার কিছু নেই। যেদিন দায়িত্ব গ্রহণ করবো, সেদিন থেকে সমিতির বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলবো।’

