ঋদি হক, ঢাকা: ভারতে করোনার সংক্রমণ কিছুটা কমলেও বাংলাদেশ সরকার কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ। এ কারণে আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদেশমন্ত্রক। সোমবার বিদেশসচিব মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠকের পরে বিদেশমন্ত্রক সচিব (পূর্ব) মাশফি বিনতে শামস বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলেন, রবিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার এই তিন দিন সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করা যাবে। বর্তমানে লোকের প্রবেশ অনেক কমে গিয়েছে এবং সীমান্তবর্তী জেলাগুলোয় কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন অনেক বেশি ব্যস্ত।
বাড়ল আরও দুই সপ্তাহ
স্থলসীমান্ত বন্দরে তিন দিন স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন যাবেন এবং প্রবেশ করা বাংলাদেশিদের জন্য কোয়ারান্টাইন-সহ অন্যান্য সুবিধার ব্যবস্থা করবেন। উল্লেখ্য গত এপ্রিল থেকে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় ভারত-বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত বন্ধের মেয়াদ বাড়ল আরও দুই সপ্তাহ।
এর আগে ৩০ জুন পর্যন্ত সীমান্ত বন্ধের ঘোষণা ছিল। ভারতে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় গত ২১ এপ্রিল স্থলসীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় যাঁদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে, তাঁরা ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনের অনাপত্তিপত্র নিয়ে নির্ধারিত স্থলসীমান্ত দিয়ে ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে স্থলসীমান্ত বন্ধ থাকলেও এ সময় পণ্য পরিবহন অব্যাহত রয়েছে।
পাঁচ পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ
মাশফি বিনতে শামস জানান, বেনাপোল, আখাউড়া, হিলি, দর্শনা, বুড়িমারী এই পাঁচ পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকেরা ভারত থেকে দেশে ফিরতে পারবেন।
২১ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত ১০ হাজার ২৫০টি অনাপত্তিপত্র ইস্যু করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের অধিকাংশই দেশে ফিরেছেন।