শিরোনাম
শুক্র. ফেব্রু ২০, ২০২৬

২ মার্চ বুধবার বাংলাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলছে

চলতি বছরের শুরুতে নতুন উদ্যমে স্কুলে ভর্তি হয় ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু সেখানে বাদ সাধে করোনার নতুন ধরণ ওমিক্রন। বাধ্য হয়েই সব ধরণের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। প্রায় দুই মাস পর দেড় কোটি শিক্ষার্থী স্কুলে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

আগামী বুধবার (২ মার্চ) থেকে শুরু হচ্ছে প্রাথমিকস্তরের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে পাঠদান। তবে, করোনার ক্ষতি পোষাতে এ বছর ২০ রমজান পর্যন্ত চলবে প্রাথমিকের ক্লাস। ২১ রমজান থেকে শুরু হবে ঈদুল ফিতরের ছুটি। ঈদের ছুটি শেষে আবার যথারীতি ক্লাস শুরু হবে। আর প্রাক-প্রাথমিকে (প্লে, নার্সারি, কেজি) ক্লাস শুরু হবে এর দুই সপ্তাহ পর। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান বলেন, এবার প্রাথমিকে স্বাভাবিক শ্রেণি কার্যক্রমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থী মাস্ক পরানো বাধ্যতামূলক। বিষয়টি নিশ্চিত করবেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের নেতা মোহাম্মদ সামছুদ্দিন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার নির্দেশনায় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিক্ষকদের স্কুলে থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এতে অনেক শিক্ষক ও অভিভাবক বিড়ম্বনার সম্মুখীন হবে বলে তিনি দাবি করেন।

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রভাবে জানুয়ারির শুরু থেকে দেশে আবার সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে শুরু করলে গত ২১ জানুয়ারি দেশের সব স্কুল, কলেজ ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও একই ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

দেশে ব্যাপক বিধিনিষেধের মধ্যে ২০২০ সালের মার্চে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছিল সরকার। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় দেড় বছর পর গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে আবার শ্রেণিকক্ষে ফিরতে শুরু করে শিক্ষার্থীরা। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাও হয়।

শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকার ২১ জানুয়ারি থেকে আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। পরে করোনা সংক্রমণের হার কমায় ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে পাঠদান শুরু হয়।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *