করোনাভাইরাসের কারণে চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পিছিয়ে গেছে এক বছর। ফলে ২০২১ সাল থেকে টানা তিন বছরের হবে তিন বিশ্বকাপ। এরমধ্যে দুইটি টি-টোয়েন্টি এবং একটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ।
বাংলাদেশের কোচ রাসেল ডমিঙ্গো ইতিমধ্যে সামনের বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে ভাবনা শুরু করেছেন। এই দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ পরিকল্পনা করেছেন, ২৫-৩০ জন ক্রিকেটার নিয়ে একটা গ্রুপকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত করে তুলবেন। আর এইজন্য যত শিগগির সম্ভব খেলায় ফিরতে চান ডমিঙ্গো।
শুক্রবার মিরপুরে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই প্রোটিয়া কোচের ভাষ্য, ‘আমরা ইতিমধ্যে অধিনায়কদের সঙ্গে কিছু ক্রিকেটারের বিষয়ে কথা বলেছি। যাদের আমরা সাদা বলের ক্রিকেটে দেখতে চাই। ২৫-৩০ জন ক্রিকেটারকে এক্ষেত্রে আমরা সমর্থন দিতে চাই। আমরা বিশ্বকাপের আগে পর্যন্ত তাদের নিয়মিত সুযোগ দিতে চাই। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আর এক বছর সামনে। সুতরাং আমরা যত শিগগিরই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট শুরু করতে পারবো, সেটা আমাদের জন্য ততই ভালো হবে।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে কোনো অনভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে চান না কোচ ডমিঙ্গো। বরং নির্বাচিত ক্রিকেটারদের একত্রে ২০-৩০ টা ম্যাচ খেলিয়ে নিজেদের মধ্যে শক্ত বোঝাপড়া তৈরি করতে চান। ডমিঙ্গো আরও যোগ করেন, ‘আমি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এমন খেলোয়াড় চাই না, যাদের কেবল ৪-৫টা ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে। আমি চাই ক্রিকেটাররা একত্রে ২০-৩০টা ম্যাচ খেলে বিশ্বকাপে যাক।’
এই মুহূর্তে করোনায় প্রায় সব দলের খেলা বন্ধ। ফলে সবাই নতুন করে শুরু করবে বলে বিশ্বাস এই কোচের। নিজেদের সেরা অবস্থায় ফিরতে এই মুহূর্তে তাড়াতাড়ি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা উচিত জানিয়ে টাইগার কোচ আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে প্রতিটা দল একই অবস্থানে আছে। আমাদের তাই ভবিষ্যৎ ভাবনায় আরও স্মার্ট হতে হবে। আমি মনে করি, ক্রিকেটাররা যত তাড়াতাড়ি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শুরু করতে পারবে, তত তাড়াতাড়ি তারা কাঙ্খিত সেরা অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে।’

