পশ্চিমবঙ্গে ৩,২৬৪ টি কন্টেইনমেন্ট জোন রয়েছে। রাজ্যের ২৩ টি জেলার মাত্র একটি জেলায় কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা শূন্য। আবার কোন কোন জেলায় ৫০০ এর বেশি কন্টেইনমেন্ট জোন রয়েছে।
কোন জেলায় কতটি কন্টেইনমেন্ট জোন রইল তার তালিকা। এক নজরে রাজ্যের কন্টেইনমেন্ট জোন-
* কলকাতায় মাত্র ১ টি কন্টেইনমেন্ট জোন ।
*হাওড়া ৫৯ টি ।
*দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৩৩ টি ।
*উত্তর ২৪ পরগনা ১৫ টি ।
*হুগলি ১৮ টি ।
*নদিয়া ৫৭৭ টি ।
*পূর্ব মেদিনীপুর ২৭ টি ।
*পশ্চিম মেদিনীপুর ৩৫১ টি।
*পূর্ব বর্ধমান ৫৬৩ টি।
*পশ্চিম বর্ধমান শূন্য
*মালদা মাত্র ৪টি । *জলপাইগুড়ি ১৪ টি ।
*দার্জিলিং মাত্র ৭ টি ।
*কালিম্পং ৮৭ টি ।
*উত্তর দিনাজপুর ৪৭০ টি ।
*দক্ষিণ দিনাজপুর ১১টি ।
*মুর্শিদাবাদ ৪৭ টি ।
*বাঁকুড়া ৪৬ টি ।
*বীরভূম ১২৭টি ।
*কোচবিহার ৩৩৫টি ।
*পুরুলিয়া ৪২৩টি ।
*আলিপুরদুয়ার ৪৮টি ।
*ঝাড়গ্রামে মাত্র ১ টি কন্টেইনমেন্ট জোন।
পুজোর মুখে বাংলায় বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যু। তুলনামূলক সুস্থ হয়ে ওঠার হার কমছে। বাড়ছে অ্যাক্টিভ আক্রান্ত।
শনিবারে রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,বাংলায় একদিনে ৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট মৃতের সংখ্যা ৫,৫৬৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৩,৫৯১ জন। সংক্রমণে রাজ্যে এটাই একদিনে সর্বোচ্চ রেকর্ড। এই পর্যন্ত রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ৯১ হাজার ১৯৪ জন। অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা প্রায় ৩০ হাজার।
এদিনও নতুন আক্রান্তের তুলনায় সুস্থ হয়ে উঠার সংখ্যাটা অনেক কম। একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,০৩২ জন। মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮৩৮ জন। তবে রাজ্যে সুস্থতার হার কমে ৮৭.৮৬ শতাংশ।
একদিনে যে ৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ২০ জন। উত্তর ২৪ পরগনার ১২ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৭ জন। হাওড়ার ৯ জন। পশ্চিম বর্ধমান ২ জন। পূর্ব বর্ধমান ১ জন। পূর্ব মেদিনীপুর ৩ জন। পশ্চিম মেদিনীপুর ১ জন। বাকুড়া ১ জন। বীরভূম ১ জন। নদিয়া ১ জন। মালদা ১ জন। উত্তর দিনাজপুর ১ জন। দার্জিলিং ১ জন। কোচবিহার ১ জন।

