জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় অসমের ‘টপার’ পড়ুয়ার বিরুদ্ধে গুরুতর জালিয়াতির অভিযোগ উঠল। অভিযোগ, তাঁর বদলে অন্য কেউ পরীক্ষায় বসেছিল। ফলাফল প্রকাশে পর দেখা গেছে, ওই পরীক্ষার্থী জেইই মেইনস পরীক্ষায় ৯৯.৮% নম্বর পেয়েছে। পরীক্ষার্থী নীল নক্ষত্র দাস এবং তাঁর বাবা ডঃ জ্যোতির্ময় দাস সহ হেমেন্দ্রনাথ শর্মা, প্রাঞ্জল কলিতা, হিরুলাল পাঠক নামে তিন পরীক্ষা তত্ত্বাবধায়ককে গ্রেপ্তার করেছে গুয়াহাটি পুলিশ। জানা গিয়েছে, আগামী বৃহস্পতিবার তাঁদের নিম্ন আদালতে তোলা হবে।
গত ২৩ অক্টোবর মিত্রদেব শর্মা নামে এক ব্যক্তি গুয়া হাটির আজারা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। অতিরিক্ত ডিসিপি সুপ্রতীভ লাল বড়ুয়া বলেন, ‘আমরা এই অভিযোগের ভিত্তিতে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেছি। এফআইআর-এ বলা হয়েছে, আসল পরীক্ষার্থীর বদলে অন্য একজন জেইই মেইনসের পরীক্ষায় বসেছিল।’
জানা গেছে, নীল নক্ষত্র দাস নামে ওই পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছিল বোরঝারে। কিন্তু বায়োমেট্রিকের নিয়ম সারার পর পরীক্ষা কেন্দ্রের এক তত্ত্বাবধায়কের সাহায্যে পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসে ওই পরীক্ষার্থী এবং তাঁর বদলে পরীক্ষা দিতে বস অন্য কেউ। অতিরিক্ত ডিসিপি জানান, বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে ওই পরীক্ষার্থী পুরো বিষয়টি ফোনে স্বীকার করার পর, যা রেকর্ড করা হয়েছিল।
অভিযোগকারীর বক্তব্য, ওই পরীক্ষার্থীর অভিভাবক দু’জনেই চিকিত্সক এবং একটি বেসরকারি কোচিং সেন্টারকে এই অপরাধে সহায়তা করার জন্য ১৫-২০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন তাঁরা। সংবাদ সূত্র: আজকাল

