আগে কোনও দৃষ্টান্ত ও নমুনা ছাড়াই কোনও কিছু সৃষ্টি ও উদ্ভাবন করা হলো বিদআত। দ্বীনের মধ্যে এমন বিষয় সৃষ্টি করা, যা রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের যুগে ছিল না, বরং পরে তা উদ্ভাবন হয়েছে। বিদআত আবিষ্কারকারী যত বড় ধর্মীয় পণ্ডিতই হোক না কেন, ইসলামে তা গ্রহণযোগ্য নয়।
বিদআতের বিরুদ্ধে রাসূল (সা.) কঠিন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই সর্বোত্তম বাণী আল্লাহর কিতাব। আর সর্বোত্তম আদর্শ মুহাম্মদ (সা.) এর আদর্শ। সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হলো- দ্বীনের মধ্যে নব-উদ্ভাবিত বিষয়। দ্বীনের মধ্যে নব-উদ্ভাবিত সব কিছুই বিদআত। প্রত্যেক বিদআত ভ্রষ্টতা, আর প্রত্যেক ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নাম।’ (মুসলিম, হাদিস : ১৫৩৫, নাসায়ি, হাদিস: ১৫৬০)
রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘আমি তোমাদের আমার ও আমার পরবর্তী সঠিক পথপ্রাপ্ত খলিফাদের অনুসরণকে তাগিদ দিচ্ছি। তোমরা একে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে থাকো। দ্বীনের মধ্যে নব-উদ্ভাবিত বিষয় সম্পর্কে সাবধান হও। কেননা প্রতিটি নব-উদ্ভাবিত বিষয়ই বিদআত। আর প্রতিটি বিদআত হচ্ছে পথভ্রষ্টতা।’ (মুসনাদে আহমাদ ও তিরমিজি)
যেসব ব্যক্তি বিদআত কাজে জড়িত আল্লাহ তাদের হাউজে কাউসারের পানি পান করাবেন না। আল্লাহ তাদের বলবেন, ‘যারা আামর দ্বীনকে পরিবর্তন করেছ, তারা দূর হও, দূর হও।’ (বুখারি, হাদিস: ৬৬৪৩)

