শিরোনাম
বৃহঃ. জানু ২২, ২০২৬

এই তারকাদের ডিভোর্সের খরচ জানলে চোখ কপালে উঠবে

বিয়ের মতো ফিল্মের তারকাদের ডিভোর্সের খরচও আকাশছোঁয়া। কোনও কোনও বিচ্ছেদ এতটাই মহার্ঘ্য যে, সেই টাকায় সাধারণ মানুষের একাধিক বার বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়ে যাবে।

২০১৬ সালে ভেঙে যায় করিশমা কাপুরের এক দশকের বিয়ে। ডিভোর্স করার সময় কারিশমা এবং তার স্বামী সঞ্জয়ের মধ্যে ১৪ কোটি টাকার খোরপোশের রফা হয়েছিল। এছাড়া প্রাক্তন স্ত্রীকে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা করে খোরপোশ দিতে সঞ্জয় অঙ্গীকারবদ্ধ।

ফরহান এবং অধুনার বিচ্ছেদের খবর সবাইকে চমকে দিয়েছিল। বিয়ের ১৬ বছর পরে আলাদা হয়ে গিয়েছিলেন এ সুপারকাপল। মুম্বাইয়ের বিলাসবহুল বাংলো নিজের কাছেই রেখেছেন অধুনা। পাশাপাশি প্রতি মাসে ফরহান বড় অঙ্কের টাকা খোরপোশ দেন প্রাক্তন স্ত্রী এবং তাদের সন্তানদের জন্য।

হৃতিক ও সুজানের বিয়ে হয়েছিল ২০০০ সালে। তাদের বিচ্ছেদ শুধু বলিউডেই নয়, সারা পৃথিবীতেই নজরকাড়া। শোনা যায়, সুজান ৪০০ কোটি টাকা খোরপোশ চেয়েছিলেন। শেষ অবধি তা নাকি রফা হয় ৩৮০ কোটিতে।

বয়সে ১৩ বছরের বড় অমৃতার সঙ্গে সাইফের দাম্পত্য স্থায়ী ছিলও ১৩ বছর। এক সাক্ষাৎকারে সাইফ জানান, বিচ্ছেদের সময় খোরপোশের রফা হয়েছিল আড়াই কোটি টাকায়। এছাড়াও প্রতি মাসে কয়েক লাখ টাকা তিনি দেন অমৃতা ও তার দুই সন্তানের খরচ বাবদ।

রিয়া পিল্লাই ছিলেন সঞ্জয় দত্তের দ্বিতীয় স্ত্রী। শোনা যায়, বিচ্ছেদের পরও রিয়ার খরচ বহন করতেন সঞ্জয়। তাদের বিচ্ছেদকালীন খোরপোশ নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানা যায় না। তবে শোনা যায়, সঞ্জয় ৪ কোটি টাকা খোরপোশ দিয়েছিলেন।

সঞ্জয়ের পরে লিয়েন্ডার পেজের সঙ্গেও রিয়ার সম্পর্ক ভেঙে যায়। সেখানে রিয়া প্রতি মাসে ৪ লাখ টাকা খোরপোশ দাবি করেছিলেন বলে জানা যায়। যার মধ্যে ৩ লাখ টাকা তার খরচ এবং বাকি টাকা ছিল তার মেয়ের জন্য।

রানি মুখোপাধ্যায়ের স্বামী আদিত্য চোপড়া তার প্রথম পক্ষের স্ত্রীকে ডিভোর্সের সময় ৫০ কোটি টাকা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলেন বলে শোনা যায়।

২০১১ সালে বিচ্ছেদ হয়ে যায় প্রভুদেবা এবং তার প্রথম স্ত্রী রামলতার। শোনা যায়, প্রভুদেবা খোরপোশ বাবদ মাত্র ১ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু সঙ্গে ২০-২৫ কোটি টাকার সম্পত্তি তিনি প্রাক্তন স্ত্রীকে দিয়েছিলেন বলেও শোনা যায়।

দেড় দশকের বেশি দাম্পত্যের পরে ২০০২ সালে ডিভোর্স হয়ে আমির-রীনার। শোনা যায়, বিচ্ছেদকালীন স্ত্রীকে ৫০ কোটি টাকা দিতে হয়েছিল আমিরের।

আলোচনায় ছিল আরবাজ খান ও মালাইকা অরোরার ডিভোর্সও। তাদের বিচ্ছেদকালীন খোরপোশ নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানা যায় না। তবে শোনা যায়, মালাইকা ১৫ কোটি টাকা চেয়েছিলেন আরবাজের কাছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *