কলকাতা: এখন ভোট হলে বাংলায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। এবিপি ও সি ভোটারের সমীক্ষায় উঠে এল এমনই তথ্য।
সি ভোটারের সমীক্ষায় যে সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে তাতে, বাংলায় টানা তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ের হ্যাটট্রিক রুখতে পারছে না বিজেপি।
তবে তৃণমূলের আসন সংখ্যা এবার কমবে বলেই মনে করা হচ্ছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২১-এ তৃণমূল পেতে পারে ১৫৪ থেকে ১৬২টি আসন।
সি ভোটারের সমীক্ষা বলছে, বিজেপির উত্থান ঘটতে চলেছে বাংলায়। তৃণমূলকে হারাতে সম্ভবপর না হলেও প্রধান বিরোধী দল হিসেবে বিজেপির উত্থানই দেখা হচ্ছে।
সমীক্ষা অনুযায়ী, ৯৮ থেকে ১০৬টি আসন পেতে পারে তারা। গতবারের তুলনায় বহু গুণ আসন বাড়িয়ে নিতে সমর্থ হবে তারা। তবে ম্যাজিক ফিগারের অনেক আগেই থেমে যাবে বিজেপি।
সি ভোটারের সমীক্ষা অনুযায়ী বাম-কংগ্রেস জোট এবার তাঁদের বিরোধী তকমা ধরে রাখতে পারবে না। তৃতীয় হবে বাংলায় নির্বাচনী লড়াইয়ে। জোট করে তাঁদের অস্তিত্ব বাঁচাতে সমর্থ হবে। সমীক্ষায় আভাস বাম ও কংগ্রেস জোট পেতে পারে সর্বনিম্ন ২৬ থেকে সর্বোচ্চ ৩৪টি আসন। এই আসন সংখ্যা গতবারের তুলনায় অনেক কম। তবে লোকসভার তুলনায় বেশি।
ফুরফুরা শরিফের পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি নতুন দল করে মিমের সঙ্গে জোট গড়ার কথা ঘোষণা করেছেন। এই অন্যান্যরা অবশ্য তেমন দাগ কাটতে পারবে না এবার। সমীক্ষা বলছে,
২০১৬-র নিরিখে ২০২১-এর সমীক্ষা ২০১৬-র নিরিখে ২০২১-এর সমীক্ষা ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৪ আসন বিশিষ্ট পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ২১১টি আসন। বিজেপি পেয়েছিল মাত্র ৩টি আসন। আর বাম-কংগ্রেস জোট পেয়েছিল ৭৭টি আসন। বাম-কংগ্রেস প্রধান বিরোধী শক্তি হয়েছিল। সম্ভাবনা তৈরি করেও ক্ষমতার ধারেকাছে পৌঁছতে পারেনি বাম-কংগ্রেস। বিপুল আসনে জিতে সেবারও ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল কংগ্রেস।
সমীক্ষায় সি ভোটারের সমীক্ষা অনুযায়ী, ১৪৮ যখন ম্যাজিক ফিগার তৃণমূল ঠিক তার উপরে থাকছে। গতবারের তুলনায় তাদের অন্তত ৪৯টি আসন কমছে। ২০১৯-এর নিরিখে কমছে দুটি। আর বিজেপি ২০১৬-র তুলনায় বাড়ছে অন্তত ৯৫টি আসনে। ২০১৯-এর নিরিখে কমছে অন্তত ১৫টি আসনে। তেমনই বামেরা ২০১৬-র তুলনায় কমছে ৪৩টি আসনে। ২০১৯-এর নিরিখে বাড়ছে অন্তত ১৭টি।

