শুভ্রদীপ চক্রবর্তী: কলকাতার এই মুদ্রা ভবনের সাথে জড়িয়ে আছে কলকাতার নানান ঐতিহ্য । একসময় ইংরেজ সাহেব দের প্রিয় ঘাঁটি ছিল ডালহৌসি। খাঁড়া খাঁড়া ইমারতের ভোরে উঠেছিল লাল দীঘি চত্বর। বর্তমানে সেইসব কিছুটা বেরঙিন হলেও তাঁদের তৈরি করা ইমারত এখনো দন্ডায়মান। এই কলকাতার মুদ্রা ভবন ছিল এক সময়কার রিজার্ভ ব্যাংকের অফিস। ১৮৩৩ সালে ইতালীয় ধাঁচে তৈরি করা হয়েছিল এই বিরাট ভবন। আজ মুদ্রা প্রস্তুত না হলেও অনেক ইতিহাসের সাক্ষী এই অতিকায় বিল্ডিং।
বর্তমানে এই ভবন এখন ঘরে বাইরে মিউজিয়াম। রয়েছে কলকাতা গ্যালারি, সত্যজিত্ রায় গ্যালারি, স্কাল্পচার গ্যালারি সহ অনেক কিছু। মূলত বাংলা এবং ভারতের হারিয়ে যাওয়া শিল্প এবং স্মৃতিকেই ছবির আকারে তোলা হয়েছে সমগ্র ভবন জুড়ে। সাহেবদের আমলে তিলোত্তমা কলকাতাকে কেমন দেখতে ছিল তাই দেখানো হয়েছে মিউজিয়ামে। হাতে ছুটি নিয়ে একদিন ঘুরে আসা যায় এই জায়গায়। সময় বেশি থাকলে মিউজিয়ামের দুই প্রতিবেশী মেটকাফে হল এবং আরবিআই মিউজিয়ামও ঘুরে আসতে পারেন আপনি। সঙ্গে রয়েছে হেরিটেজ গঙ্গা ভ্রমণ।
পথনির্দেশ › মিউজিয়ামটি কলকাতার বিবাদী বাগে হেমন্ত বসুর সরণীর পাশেই ভূমিস্থিত। ট্রেনে এলে হাওড়ায় নেমে বাসে কিছু ক্ষণ অথবা ধর্মতলা থেকেও এই মিউজিয়ামে যাওয়ার বাস পেয়ে যাবেন আপনি।

