স্মার্টফোন এখন প্রায় সকলেরই প্রিয় অনুষঙ্গ। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলতে এক মূহুর্তের জন্যও মুঠোফোনকে হাত ছাড়া করতে চান না অনেকেই। শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ প্রবণতা আর বেশি। পড়াশোনা শিকেয় তুলে অনেকেই ব্যস্ত থাকেন স্মার্টফোনে।
তবে এবার গবেষকেরা জানালেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা দিনে পাঁচ ঘন্টা বা তার বেশি সময় ধরে স্মার্টফোন ব্যবহার করেন, তাদের মুটিয়ে যাওয়ার সম্ভবনা বেশি। গবেষকদের বর্ণিত অন্যন্য উপসর্গ থাকলে একজন শিক্ষার্থী হৃদরোগেও ভুগতে পারেন।
গবেষকরা জানান, দিনে পাঁচ ঘন্টা বা তার বেশি স্মার্টফোন ব্যবহারের ফলে মুটিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায় ৪৩ শতাংশ।
গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা দিনে পাঁচ ঘন্টা বা তার বেশি সময় ধরে স্মার্টফোন ব্যবহার করেন, তাদের ২৬ শতাংশের ওজন অতিরিক্ত ও ৪.৬ শতাংশ স্থুলকায়।
নিবন্ধে আরও বলা হয়েছে, অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহার কর্মবিমুখ করে তোলে। তাতে শারীরিক কর্মকাণ্ডের মাত্রা কমে যায়, যা অকালমৃত্যু, ডায়বেটিস, হৃদরোগ ও বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের কারন হতে পারে। স্মার্টফোন ব্যবহার এখন আর বিলাসিতা নয়, প্রয়োজনীয়তা। কিন্তু এর অতিরিক্ত ব্যবহার স্বাস্থ্যকর জীবনকে ঝুঁকিয়ে ফেলতে পারে।
মুঠোফোন ব্যবহারের সময় কমিয়ে আনতে নিজেকে উত্সাহিত করা উচিত, সেই সঙ্গে যোগব্যায়াম বা অন্যান্য শারীরিক ব্যায়ামে নিজেকে সম্পৃক্ত করা উচিত।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাঁচ ঘন্টা বা কী পরিমাণ সময় স্মার্টফোনে ব্যয় হলো সে প্রশ্ন নয়, প্রশ্ন হচ্ছে একজন ব্যক্তি কতটুকু সময় শারীরিকভাবে সক্রিয়। অতিমাত্রায় মুঠোফোন ব্যবহার শরীরচর্চা থেকে দূরে রাখে। তাই মুটিয়ে যাওয়ার সম্ভবনাও বেড়ে যায়।

