শিরোনাম
শুক্র. জানু ৩০, ২০২৬

গরমে লড়াই করার অন্যতম অস্ত্র টক দই, ডায়াবেটিস রোগী দের জন্য অত্যন্ত উপকারী

শুভ্রদীপ চক্রবর্তী: ব্যাস্ত জীবনে একমুহূর্ত বিশ্রাম নেওয়া মানে বিশাল ক্ষতি। কিন্তু এই দৌড়াদৌড়ির মাঝে সমান ভাবে নিজের শরীরের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। গরমে দাবদাহের সঙ্গে যুদ্ধ লড়তে খেতে হবে পুষ্টিকর খাবার। তবে কম ফ্যাট যুক্ত খাবার এইসময় সবচেয়ে ভালো। যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ টক দই। দই খেলেই অ্যাসিড হয়, ঠান্ডা লাগে এইসব অযৌক্তিক ধারণা আজ থেকে মুছে ফেলুন। কারণ দই খেলে না ঠান্ডা লাগে না অ্যাসিড হয়। বরং দই খাদ্যের পরিপাকে সাহায্য করে, ফলে অ্যাসিড নষ্ট হয়। কিন্তু ঠান্ডা দই খাবেন না।

টক দইয়ের গুনাগুন এই গরমে শরীরকে বিভিন্ন দিক দিয়েও পুষ্টি যোগাবে। যেহেতু এতে কম ফ্যাট রয়েছে ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। টক দই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই ভালো। প্রথমত দইয়ে রয়েছে নানারকম ভিটামিন,ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এর মতো একাধিক পুষ্টিকর উপাদান। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এটি প্রো-বায়োটিক অর্থাত্‍ টক দই শরীরের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে দেয়। তাই ডায়াবেটিক দের জন্য টক দই অত্যন্ত ফলদায়ক খাবার।

টক দই খেলে শরীরের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ থাকে। এর ফলে হার্টের বিভিন্ন সমস্যা এমনকি ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতেও সক্ষম নিয়মিত ১০০ থেকে ২০০ গ্রাম টক দই। টক দই কোলেস্টেরল কমায়। শরীরের মেদ বৃদ্ধিতে বাঁধা হয়। দইয়ের ক্যালসিয়াম শরীরের হাড় ভালো রাখে। অস্টিয়োপোরোসিস রোধ করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া দেখা গেছে টক দই হজম নিয়ন্ত্রণে খুব সহায়ক। সুস্থ পরিপাকে টক দই দারুন কার্যকর।

চল্লিশের বেশি বয়সের মহিলাদের জন্য নিয়মিত টক দই খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এইসময় শরীরের নানা রকম সমস্যা দেখা যায়। হার্ট এবং ব্রেনের সক্রিয়তা আগের থেকে তুলনামূলক কমে যায়। ওমেগা থ্রি অ্যাসিড থাকার ফলে দই এইসময় খাওয়া খুব উপকারী। ব্রেন, হার্ট এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গ সচল রাখতে টক দইয়ের কোনো বিকল্প নেই।

সম্পর্কিত পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *