সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ১০ রানে হারিয়ে জয় দিয়েই চতুর্দশ আইপিএল অভিযান শুরু করল কলকাতা নাইট রাইডার্স। একইসঙ্গে দর্শকহীন স্টেডিয়ামেই বিশ্বের সেরা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে একটি ঈর্ষনীয় নজির গড়ে ফেলল পার্পল ব্রিগেড। টুর্নামেন্টের তৃতীয় দল হিসেবে আইপিএলে শততম জয়ের নজির গড়ল নাইটরা।
গত মরশুম শেষে ৯৯তম জয়ে আটকেছিল পার্পল ব্রিগেড। সুতরাং এদিন চতুর্দশ আইপিএল অভিযান জয় দিয়ে শুরু করতেই নয়া মাইলস্টোন ছুঁয়ে ফেলে নাইট শিবির। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং চেন্নাই সুপার কিংসের পর আইপিএলের তৃতীয় দল হিসেবে এই নজির গড়ল কলকাতার ফ্র্যাঞ্চাইজি দল। স্বাভাবিকভাবেই টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে দলের জয় এবং সেইসঙ্গে শততম আইপিএল জয়ে উচ্ছ্বসিত নাইটদের মালিক শাহরুখ খান।
ম্যাচ শেষের পর টুইটারে তাঁর দলের সৈন্যদের অভিনন্দন জানিয়েছেন কিং খান। তিনি লিখেছেন, ‘শততম আইপিএল ম্যাচ জিতে দুর্দান্ত অনুভূতি হচ্ছে। ছেলেরা ওয়েল ডান। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা, নীতিশ রানা, রাহুল ত্রিপাঠী, আন্দ্রে রাসেল, হরভজন সিং, শাকিব আল হাসান, প্যাট কামিন্স সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য হলেও প্রত্যেককে দেখে দারুণ লাগল। সত্যি বলতে সবাই ভীষণ ভালো।’
এদিন ব্যাট হাতে নাইটদের ম্যাচ জয়ের নায়ক যদি নীতিশ রানা এবং রাহুল ত্রিপাঠী হন, তাহলে বল হাতে জয়ের কারিগর প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা, প্যাট কামিন্স, শাকিব আল হাসান, আন্দ্রে রাসেল প্রত্যেকেই। রানার ৫৬ বলে ৮০ এবং ত্রিপাঠীর ২৯ বলে ৫৩ রানে ভর করে ৬ উইকেটে প্রথমে ১৮৭ রান তোলে নাইটরা।
এরপর বল হাতে শুরুতেই সানরাইজার্সের জোড়া উইকেট তুলে নেয় নাইট শিবির। তবে বেয়ারস্টো এবং মনীশ পান্ডের ৯২ রানের পার্টনারশিপে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ায় সানরাইজার্স। একসময় লক্ষ্যমাত্রার দিকে ভালোই এগোচ্ছিল তারা। কিন্তু বেয়ারস্টো আউট হতেই ফের ম্যাচে জাঁকিয়ে বসে নাইট বোলাররা। বেয়ারস্টো আউট হন ৫৫ রানে। তবে মনীশ পান্ডে ৬১ রানে অপরাজিত থাকলেও ম্যাচ বের করে আনতে পারেননি তিনি। ১০ রানে জিতে জয় দিয়েই সফর শুরু হয় নাইটদের।
লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’! ‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >
করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

